ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন জামায়াতের নারী কর্মী ও নেতা-কর্মীরা, এমন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর জামায়াত। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আলমডাঙ্গা পুরাতন বাজার এলাকায় উপজেলা ও পৌর জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট নূর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খাদিমপুর ইউনিয়নের যুগীরহুদা গ্রামে জামায়াতের নারী কর্মীরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন কর্মী তাদের ওপর হামলা চালান এবং অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির শফিউল আলম বকুল ঘটনাস্থলে গেলে যুবলীগ নেতা থেকে বর্তমানে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচিত মানিকের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রধারীরা জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, হামলায় অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির খন্দকার মাসুদসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীতে রেফার্ড করা হয়। এসময় কয়েক দিন আগে জামায়াতের নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়, যার সঙ্গে বিএনপির এক নেতার নাম জড়ানো হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপ করে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
