চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার উদ্বোধনকালে ডিসি কামাল হোসেন

জমিতে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার কমানোর আহ্বান

আপলোড তারিখঃ 2026-01-20 ইং
চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার উদ্বোধনকালে ডিসি কামাল হোসেন ছবির ক্যাপশন:

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ও চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে মেলায় প্রদর্শনকৃত ১৪টি স্টল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। পরে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


আলোচনা সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এসময় ডিস বলেন, প্রযুক্তি ছাড়া আমরা এগিয়ে যেতে পারব না, সব কাজেই প্রযুক্তির প্রয়োজন। প্রযুক্তি কাজকে সহজ করে। আমাদের জ্ঞান গবেষণা কম হওয়ায় প্রযুক্তির দিক থেকে পিছিয়ে আছি। কিন্তু আজকে এই মেলায় অনেক প্রযুক্তি প্রদর্শিত হয়েছে। এখান থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। কৃষক ভাইয়েরা এখান থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন শিখতে পারবেন। এটাই এই মেলার উদ্দেশ্য।


তিনি আরও বলেন, কৃষির যেকোনো ফসলে আমরা অনেক সার ব্যবহার করি, যাতে উৎপাদন বেশি পাওয়া যায়। জমিতে আমরা যখন বেশি রাসায়নিক সার দিচ্ছি, তখন হয়তো একটা ফসল ভালো হচ্ছে, তবে দেখা যাবে মাটি নষ্ট হয়ে গেছে। তখন আপনি বস্তায় বস্তায় সার দিতে বাধ্য হবেন, এবং আপনার খরচের পরিমাণ ও বেড়ে যাবে। সার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই ব্যবহার করবেন। কারণ সার দিয়ে যে ফসলটা উৎপাদন করবেন সেটা তো আপনারা নিজেরাই খাবেন। খেয়াল রাখতে হবে প্রাকৃতিক খাবার খাচ্ছেন নাকি কীটনাশক।


জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা প্রকৃতির প্রতি কিছুটা নির্দয়। আমরা ব্যাঙ পেলে মেরে ফেলি, ফড়িং প্রজাপতি পেলে মেরে ফেলি। এগুলো তো ঠিক না। প্রকৃতির তো একটা খাদ্যজাল রয়েছে। অনেক চাষি আছেন, যারা সবজির পাশাপাশি তামাক চাষও করেন। কিন্তু আপনারা এটা ভাবেন না, যে বৃষ্টি হলে তামাক গাছ থেকে যে পানি ঝড়ে পড়ে, সেই পানিতে নিকোটিনও থাকে, সেই নিকোটিনের পানি অন্য ফসলে গিয়ে মিশছে এবং ওই পানি পাশের খালে নদীতে যাচ্ছে। ফলে নদীতে এখন আর মাছ পাওয়া যায় না। পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হচ্ছে।’ ।


অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আসিফ ইকবালের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান ও কৃষি) দেবাশীষ কুমার দাস, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মিঠু চন্দ্র অধিকারী সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সদর উপজেলার কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)