ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত দোষী সেনা সদস্য ও কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে দর্শনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় দর্শনা পুরাতন বাজার দোয়েল চত্বর থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রেলবাজার বটতলায় বক্তব্য দেন দলের নেতৃবৃন্দ।
এসময় দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট বলেন, ‘জীবননগর পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, এটা কোনো সাধারণ বিষয় না। স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বরং এখানে প্রশাসনের মধ্যে ষড়যন্ত্রের আভাস মিলছে। তারা আসলে কী চাই? আর কেনই বা বাংলাদেশ প্রশাসনের মধ্যে সব থেকে আস্থা এবং বিশ্বাসের বাহিনী সেনাবাহিনী কর্তৃক এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলো? তবে কি এখানে জামায়াতের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে না? তবে আমরা এগুলো এতো সহজে মেনে নেব না। এর আসল রহস্য উদ্ঘাটন করে সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তরফদার সাবু বলেন, ‘আজ আমরা দেখছি দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলনের পর দেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছি নির্বাচনকে সামনে রেখে। আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের এলাকাসহ সারাদেশ একটি মহল নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। এরা এই সমাজের মধ্যে, প্রশাসনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বাংলাদেশের মধ্যে ‘র’-এর এজেন্ট। যারা ছলে-বলে কৌশলে বাংলাদেশের মানুষকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়। সে জন্য আজকে নিরপরাধ ভালো মানুষকে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হচ্ছে।’
পৌর বিএনপির সমন্বয়ক নাহারুল ইসলাম মাস্টার বলেন, ‘আমরা কোনোদিন ভাবতেও পারিনি যে, সেনাবাহিনী কর্তৃক এমন একটি ঘটনা ঘটতে পারে। যা আসলেই দুঃখজনক।’ এসময় দর্শনা থানা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
