‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ দাবি, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, আজ দাফন

সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতা ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় দিনভর বিক্ষোভ-অবরোধ

উত্তাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বাবু খান-শরীফুজ্জামান ও ডিসি-এসপি

আপলোড তারিখঃ 2026-01-14 ইং
‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ দাবি, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, আজ দাফন ছবির ক্যাপশন:

জীবননগরে সেনা হেফাজতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫০) মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। এ নিয়ে পুরো জীবননগর শহরে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীরা গভীর রাত থেকে প্রায় ১২ ঘণ্টা চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর-যশোর সড়ক অবরোধ করে রাখেন। জীবননগর হাসপাতালসহ পৌর শহরে দিনব্যাপী বিক্ষোভ করে নেতা-কর্মীরা এটাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিযোগ করেন। পরিবারের সদস্য, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগর পৌর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত শামসুজ্জামান ডাবলুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


রাত থেকে দিনভর উত্তেজনা:
ডাবলুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত থেকেই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তারা চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর-যশোর সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে ঘটনাস্থলে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসলে পরে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পুনরায় তিনি ঘটনাস্থলে এসে নেতা-কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেলা ১১টার পরই জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দীর্ঘ আলোচনার পর বেলা দেড়টার দিকে সেখানে হাজার হাজার মানুষের মাঝে হ্যান্ড মাইকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক।
বক্তব্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত না মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে পারছি, ততক্ষণ আমরা আমাদের সহযোদ্ধার সাথেই থাকবো। আপনারা সড়ক ছেড়ে দেন। জানাজার প্রস্তুতি নেন। আমরা আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিচার চাই। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা বিচারের দাবি জানাবো।’


চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএ’র সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘আমার ইতিমধ্যে এক্টিং জিওসি ব্রিগেডিয়ার ওসমানীর সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি বলেছেন যে, আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিচার করা হবে। আমরা আইন অনুযাযী সব ব্যবস্থা নেব।’


চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি এবং আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি এরকম একটি ঘটনাতে একজন মানুষের, একজন নেতার মৃত্যু হয়েছে। আপনারা একটু ধৈর্য্য ধারণ করুন। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে সবকিছু হবে। আমাদের বাহিনীর পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ যে ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা আমরা নেব।’ চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘ওনার মৃত্যুটা যদি হত্যাকাণ্ড হয়, তাহলে তদন্ত করে কঠোর বিচার হবে। তদন্তে যদি প্রমাণ হয় এটা হত্যা, কেউ রেহাই পাবে না। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের সঙ্গে কথা হয়েছে। এবং তারা বলেছে তদন্ত করে যদি জানা যায় এটা হত্যাকাণ্ড, আইনগত সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখন আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করতে চাই, বিচারের যে প্রক্রিয়া, বিচার করতে হলে প্রথমে সুরতহাল এবং ময়নাতদন্ত করতে হবে। এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’ এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেওয়া হলে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর বেলা পৌনে দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা-জীবননগর-যশোর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। উত্তেজিত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে বেলা দেড়টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর ও লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে সাথে আসতে দেখা যায়।


চুয়াডাঙ্গা শহরে বিক্ষোভ:
চুয়াডাঙ্গা শহরে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করলে শহরের কোর্ট মোড় থেকে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। অ্যাম্বুলেন্সকে ঘিরে রাখে শত শত নেতা-কর্মী। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শরীফুজ্জামান শরীফের নেতৃত্বে বিএনপির সিনিয়র ও প্রবীণ নেতা-কর্মীদেরও দেখা যায়। মিছিলটি কোর্ট মোড়, কলেজ রোড হয়ে হাসপাতাল রোড দিয়ে সদর হাসপাতাল মর্গে পৌঁছায়। লাশ ময়নাতদন্ত হওয়া পর্যন্ত মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফসহ অসংখ্য নেতা-কর্মী।


ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক যা বললেন:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে বিকেল সাড়ে চারটায় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন এ সংক্রান্ত চিকিৎসক কমিটির আহ্বায়ক ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সিনিয়র সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানুল হক তন্ময়, কমিটির সদস্য ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রকিব সাদি এবং মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন। এসময় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন। মর্গ থেকে বের হয়ে কমিটির আহ্বায়ক ডা. এহসানুল হক তন্ময় বলেন, ‘সুরতহাল অনুযায়ী শরীরের চিহ্ন সঙ্গতিপূর্ণ পেয়েছি। রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও অন্যান্য বিষয়ে বলা যাবে।’


সুরতহাল প্রতিবেদন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কী হয়েছিলো?
ময়নাতদন্তের আগে সকালে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমীনের উপস্থিতিতে জীবননগর থানার পুলিশ শামসুজ্জামান ডাবলুর মরদেহের সুরতহাল করে। জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মকবুল হাসান বলেন, ‘রাত ১২টা ১৬ মিনিটের দিকে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। ওই সময় ওনার পালস, পিপি কিছুই ছিল না। ইসিজিসহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট করলেই বাকিটা বোঝা যাবে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।’


জব্দ তালিকা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে ধোঁয়াসা:
জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অদূরে শামসুজ্জামান ডাবলুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি। এই ফার্মেসিতেই রাতে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। অভিযানের সময় আশেপাশের দোকানদার ও ওই বাজারের নাইট গার্ডকে ডেকে নেয় তারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে একজন ব্যবসায়ী জুয়েলকেও ওই রাতে সেনাবাহিনী ডেকে নিয়েছিলো। তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমার পাশের দোকান ডাবলু ভাইয়ের। আমি দোকানেই ছিলাম। তিন-চারজন এসে বলল, আসেন আমরা দোকান সার্চ করব। তারপর তারা হুড়পাড় করে ভেতরে ঢুকল। তারা ড্রয়ার ভাঙার চেষ্টা করছিল। তখন আমরা বললাম, চাবি আছে, চাবি দিয়ে খোলেন। এরপর খুলে তারা ড্রয়ারের টাকা-পয়সাগুলো আমাদের দিয়ে দেয়। দোকানের পার্ট দুইটি। পিছনের দিকে কয়েকজন ঢুকেছিলো। ওদিকে একটু অন্ধকারও ছিল। লাইট দেবার পর এ কার্টুন ও কার্টুনে হাতাহাতি করতে করতে দুই-তিন মিনিটের মাথায় একজন বেরিয়ে এসে বলে পেয়েছি, পেয়েছি। তখন তারা অস্ত্রটি দেখায়।’ সাদা কাগজে স্বাক্ষরের গুঞ্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে জুয়েল বলেন, ‘ওখানে তারা আমার নাম-ঠিকানা লিখে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। কিন্তু ওখানে তো আর প্রশ্ন করা যায় না। আজ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে আমাকে ডেকেছিলো। আমিই এতোটুকুই বলেছি। ওনারা যখন ধরে নিয়ে যায়, পাশেই যুবদলের একটি পার্টি অফিস আছে। সেখানে ডাবলু ভাইকে নিয়ে যায়। তবে ওখানে কাউকে যেতে দেয়নি।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, ‘বেলা ১টা বেজে ৫ মিনিটে জীববনগর হাসপাতালের মধ্যে জব্দ তালিকা তৈরি করা হয়। সেখানে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কয়েকজন বিজ্ঞ আইনজীবীসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’ এদিকে, রাতের ঘটনায় পরের দিন দুপুরে জব্দ তালিকা লেখা নিয়েও তৈরি হয়ে ধোঁয়াসা। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সেখানে জেলা প্রশাসক আপত্তি তুলে বলেন, ‘এখন লেখা হলে আমি এটা মানব না। সাক্ষীদের বক্তব্য শোনার পরই এটি গ্রহণযোগ্য হবে। এসময় তিনজন সাক্ষীর মধ্যে শুধু জুয়েলকেই হাজির করা হয় বলে জানা গেছে।’


পরিবারের অভিযোগ ও আজ দাফন:
এ ঘটনায় শামসুজ্জামান ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর হত্যার বিচার চাই। তাকে পরিকল্পতিভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটা মাসুম বাঁচ্চাকে এতিম করা হয়েছে। সঠিক বিচার চাই আমি, তারা কেন এভাবে হত্যা করল বিনা অপরাধে। যদি অপরাধী হয়, তারে ধরে নিয়ে যাবে। কেন মেরে ফেলা হলো তাকে। সাথে সাথে কেন মেরে ফেলা হলো। আমাদের কেন খবর দেওয়া হলো না, আপনার হাসবেন্ট অপরাধী, তাকে ধরেছি, আসেন। তারা পরিকল্পতিভাবে গুম করে তাকে হত্যা করেছে।’
শামসুজ্জামান ডাবলুর মেয়ে বাবার হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘কেন আমার আব্বুকে মারা হলো। কী অপরাধ ছিল আমার আব্বুর?’ নিহত ডাবলুর ভাই ও জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল আহাজারি করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার ভাই পুরোপুরি নিরপরাধ ছিলেন। তাকে যেভাবে পেটানো হয়েছে, তা অমানবিক। এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, এটি হত্যাকাণ্ড।’ তিনি আরও জানান, আগামীকাল বুধবার (আজ) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে শামসুজ্জামান ডাবলুর নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনকার্য সম্পন্ন করা হবে।’


বিভিন্ন মহলের শোক:
জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন মহলের মানুষ শোক জানিয়েছেন। বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। গভীর ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ। তারা এক শোক বার্তায় গভীর দুঃখ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। এছাড়া, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, জেলা জামায়েত ইসলামীর আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী রুহুল আমিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ শোক জানিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)