ছবির ক্যাপশন:
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ দফা দাবিতে গতকাল রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে চুয়াডাঙ্গা ডিবেট ক্লাব। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, একটি দেশকে ধ্বংস করতে হলে সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে হয়, তেমনি শিক্ষক যদি অনৈতিকভাবে ঢুকে, তাহলে একটি জাতি ধ্বংস হবে। এ দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষাখাত, বদলিজনিত কারণে ঘুষ লেনদেন হয় প্রচুর। চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষক নিয়োগে জালিয়াতির ঘটনা আমাদের লজ্জিত করেছে। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে রক্ত দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়েছে, সেই বাংলাদেশে কোনো জালিয়াতি বা প্রশ্নফাঁস সিন্ডিকেটের ঠাঁই হবে না। চুয়াডাঙ্গার মাটিতে মেধাবীদের অধিকার নিয়ে কোনো ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এখন মেধাবীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। জালিয়াতি আর প্রশ্নফাঁস আমাদের স্বপ্ন চুরির হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ছাত্রসমাজ আরও কঠোর আন্দোলনে নামবে। চুয়াডাঙ্গাতে দুজন ডিভাইসধারী আটক হয়েছে। হয়তো আরও চোখের আড়ালে রয়ে গেছে। মেধা নিয়ে খেললে বাংলাদেশ এক সময় মেধা শূন্য হয়ে যাবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা ডিবেট ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আসলাম হোসেন, অন্যতম সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্য সচিব রনি বিশ্বাস, সাবেক মুখপাত্র তামান্না খাতুন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদর উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম নিরব প্রমুখ। মানববন্ধনের শেষে ৫ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের দ্রুত বিচার করা, প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যের মূল হোতাদের খুঁজে বের করে জনসম্মুখে আনা, নিয়োগ পরীক্ষায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দুর্নীতিমুক্ত ও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং প্রশ্নফাঁস রোধে দীর্ঘমেয়াদী কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার দাবি জানানো হয়।
#প্রশ্নফাঁস #মানববন্ধন #শিক্ষক নিয়োগ
