ছবির ক্যাপশন:
দুর্বৃত্তদের গুলিতে যশোরে বিএনপির এক নিহতের ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সীমান্ত অতিক্রম রোধে সীমান্তজুড়ে বিজিবির তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে যশোর জেলার শংকরপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন (৫৫) নিহত হন। ঘটনাটিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। এই প্রেক্ষাপটে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ মেইন পিলার ৭৫/৩-এস থেকে ১৩১/৮-আর পর্যন্ত প্রায় ১১৩ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করে পালাতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দর্শনা আইসিপি ছাড়াও দর্শনা, সুলতানপুর, বারাদী, বড়বলদিয়া, ফুলবাড়ী, ঠাকুরপুর, মুন্সিপুর, হুদাপাড়া, জগন্নাথপুর, আনন্দবাস, মুজিবনগর, নাজিরাকোনা, দাড়িয়াপুর, বুড়িপোতা, বাজিতপুর, ঝাঁঝা, ইছাখালী, রুন্দ্রনগর ও শৈলমারী বিওপি এলাকার সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করেছে। স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
