ছবির ক্যাপশন:
গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন রাশেদ খাঁন। যোগদানের পরেই ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে পেয়েছেন ধানের শীষের মনোনয়ন। জাতীয় পর্যায়ের তরুণ এই নেতার নেই ব্যক্তিগত গাড়ি, বাড়ি, প্লট ও জমি। নির্বাচনী হলফনামায় রাশেদ খান এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন। রাশেদ খাঁনের হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে তার নামে দুটি মামলা দায়ের হয়। ওই মামলা থেকে ২০২৪ এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তিনি খালাস পেয়েছেন। বর্তমানে তার নামে দায়ের হওয়া পৃথক তিনটি মামলা চলমান রয়েছে। হলফনামায় রাশেদ খাঁন নিজের পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। নিজের স্ত্রীকে উল্লেখ করেছেন গৃহিণী হিসেবে।
এছাড়া বার্ষিক আয়ের হিসাবে তিনি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে হলফনামা জমা দেওয়ার দিন পর্যন্ত আয় দেখিয়েছেন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এই আয়ের সবটুকুই ব্যবসা থেকে অর্জিত। তবে তার নামে কোনো শেয়ার বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত নেই বলে হলফনামায় বলা হয়েছে। এমনকি দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, বর্তমানে (জমাদানের দিন পর্যন্ত) রাশেদ খানের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৩৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। তার স্ত্রী রাবেয়া আক্তার আলোর রয়েছে নগদ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া দুটি বেসরকারি ব্যাংকের ঝিনাইদহ শাখা ও ঢাকা সেনানিবাস শাখায় রাশেদ খানের ব্যক্তিগত হিসাবে সর্বমোট ৭ হাজার ৫৮২ টাকা জমা আছে।
হলফনামায় রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেছেন, তার নিজের রয়েছে ৩০ ভরি স্বর্ণ এবং তার স্ত্রীর রয়েছে ১০ ভরি। এসব স্বর্ণ তিনি উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। অর্জিত স্বর্ণ, ব্যাংকে জমাকৃত টাকা ও নগদ অর্থ অর্জনকালীন মূল্য ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যার বর্তমান মূল্য ৮১ লাখ ৪৮ হাজার ৪১২ টাকা।
এছাড়া তার স্ত্রীর নামে স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক পণ্য, আসবাবপত্র ও উপহার সামগ্রী মিলিয়ে অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
তবে রাশেদ খাঁনের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বা জমিজমা, প্লট, গাড়ি বা বাড়ি নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি তার স্ত্রীর নামেও কোনো বাড়ি, গাড়ি, জমি বা প্লট নেই।
এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমাদান তথ্যে তিনি সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় দেখিয়েছেন। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৩৮ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৫ টাকা। তিনি চলতি অর্থবছরে ৫ হাজার টাকা আয়কর জমা দিয়েছেন।
