ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের নওলামারি গ্রামে সরকারি গাছ কেটে ঘরের আসবাবপত্র তৈরি ও বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে তিনজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা হলেন- নওলামারি গ্রামের আব্দুল মল্লিকের ছেলে হাজি মতিয়ার, দারুল বিশ্বাসের ছেলে প্রবাস ফেরত লালন এবং বিশারত বিশ্বাসের ছেলে ফরিদুল মাস্টার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ক্যানেলের পাশে থাকা মূল্যবান মেহগনি ও সেগুন গাছ কেটে একটি অংশ দিয়ে ঘরের আসবাবপত্র তৈরি করা হয়েছে এবং কিছু গাছ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
অভিযুক্ত হাজি মতিয়ার গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গাছের ছায়ার কারণে জমিতে চাষ করা ধানের ফলন কমে যাচ্ছিল। তাই গাছ কেটে বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য ভিন্ন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি বিদেশ থেকে ফিরে লালন অর্থ ও প্রভাব খাটিয়ে জিকে খালের সরকারি গাছ কেটে ফেলেন। ওই কাঠ দিয়ে তিনি ঘরের আসবাবপত্র তৈরি করেন। এ কাজে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হন স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক ফরিদুল মাস্টার। তাঁরা দুজনই প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি বলে জানান এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা বন বিভাগের কর্মকর্তা এ কে এস আতা এলাহী বলেন, বিষয়টি আলমডাঙ্গা উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
