ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে জেলার অবস্থা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাক্ষ প্রফেসর কামরুজ্জামান।
এসময় তিনি বলেন, ‘তামাক ধূমপান ক্ষতিকর খারাপ জিনিস, এটা আমরা সবাই জানি। সমাজে এই ধূমপানটা এখন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে গিয়েছে। তবে আগের তুলনায় এখন এই বিষয়টা অনেকটা কম। এটা মূলত সচেতনতার বিষয়। আমি যদি পারিবারিক দিক থেকে বিষয়টা বলি, একটা পরিবারে যদি দাদা ধূমপায়ী হয়, বাবা ধূমপায়ী হয়, তবে ছেলেও ধূমপায়ী হবে। আমার পরিবারে আমরা কেউই ধূমপান করি না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার কলেজে আমি দেখেছি এখন অনেক কমে গিয়েছে এই বিড়ি সিগারেট খাওয়ার ব্যাপারটা। তবে একটা বিষয়, সঙ্গ জিনিসটা খুব খারাপ, সঙ্গ দোষে অনেক কিছু ধ্বংস হয়। আমি দেখেছি ঢাকায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরাও ধূমপান করে। এগুলো সঙ্গদোষের কারণে। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন খারাপ সঙ্গে না মেশে।’
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। যেখানে সেখানে সিগারেট খাওয়ার জন্য অনেকবার জরিমানা করা হয়েছে এই শহরে, তবে কয়েকবছর ধরে দেখছি এই জরিমানা আর করা হচ্ছে না। সচেতন নাগরিক যদি কাউকে সিগারেট পান করতে বারণ করে, তবে সে হয়ে যাবে সেই ধূমপায়ীর শত্রু। বিষয়টা এমন যে আমার সিগারেট আমি খাবো আপনি বলার কে। আমাদের নিজেদের সচেতনতাই পারে এই তামাক থেকে আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের মুক্ত রাখতে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক ও প্রকাশক সরদার আল আমিন, দৈনিক খাসখবরের প্রধান সম্পাদক রাজিব হাসান কচি, দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গার সম্পাদক ও প্রকাশক বিপুল আশরাফ, বিশিষ্ট সমাজসেবক লিটু বিশ্বাস প্রমুখ। সভায় আর উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ ।
