ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার গাংনী-আসমানখালী সাংগঠনিক থানায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে চালক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভাংবাড়ীয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৫০০ চালক অংশ নেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব বিভাগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ হোসাইন টিপু, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি কাইয়ুম উদ্দিন হিরক, আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমির সফিউল আলম বকুল ও গাংনী-আসমানখালী সাংগঠনিক থানা আমির আব্বাস উদ্দিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির সেলিম রেজা ও মাওলানা মনিরুজ্জামান, থানা সেক্রেটারি কামরুল হাসান সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের অর্থ সম্পাদক ইমরান হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের থানা সভাপতি শামীম রেজা, হারদী কলেজ সভাপতি শাওন হোসেন রুমনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, ‘পরিশ্রমী মানুষই আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। দেশের অর্থনীতি চালাচ্ছেন চালক, কৃষক, শ্রমিক ভাইয়েরা। তাঁদের ঘামেই সমাজ চলে।’ তিনি বলেন, ভ্যান-রিকশা-অটোর চালকরা প্রতিদিন মানুষের সেবা দিয়ে জীবনকে সহজ করে তুলছেন। অথচ ন্যায্য মজুরি ও ন্যায্য অধিকার তারা অনেকেই পান না। রাসুল (সা.)-এর হাদিস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শ্রমিকের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই দিতে হবে, কিন্তু আমরা কি তা পালন করছি?’
কৃষি ও শ্রমজীবী মানুষের সুবিধা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সুলভ মূল্যে সার-বীজ-সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং ফসলের ন্যায্য দাম দেওয়া হবে আমাদের অগ্রাধিকার।’ তিনি দাবি করেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে গিয়ে শ্রমিক-চালকদের সহায়তায় প্রণোদনা দেওয়া হবে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাংনী-আসমানখালী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুর রশিদ।
সমাবেশ শেষে রাত ৭টায় ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাটুভাঙ্গা গ্রামে একটি নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন মাসুদ পারভেজ রাসেল। এছাড়াও সকালে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজার ও নিচের বাজারে তিনি গণসংযোগ করেন।
