ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার হাউসপুরে অবস্থিত ভাই বোন বেকারিতে ময়দা মাখানো মেশিনে হাত আটকে গিয়ে সোহান (১৪) নামে এক শিশু শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোহান নীলফামারি জেলার সদর উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের চাপড়া চেয়ারম্যান পাড়ার মনিরুলের ছেলে। কাজের উদ্দেশ্যে দুই মাস আগে মামাতো ভাই আদর আলির সঙ্গে আলমডাঙ্গায় আসে এসেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, দুপুরে বেকারিতে ময়দা মাখানোর মেশিনে খামির ছুড়িয়ে দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সোহানের হাত মেশিনের ভিতরে ঢুকে যায়। মুহূর্তেই গুরুতর রক্তক্ষরণে সে ঘটনা স্থলেই মারা যায়।
নিহতের মামাতো ভাই আদর আলি বলেন, গত দুই মাস হলো আমরা আলমডাঙ্গায় কাজ করছি। দুপুর ১২টার দিকে সোহান খামির মাখানো মেশিনে ছুরি দিয়ে খামির ছুড়তে গেলে মেশিনে তার হাত আটকে যায়। আমরা তৎক্ষণাত বিদ্যুৎ বন্ধ করি, কিন্তু ততক্ষণে সে মারা যায়।
বেকারির মালিক নাশির উদ্দিন জানান, দক্ষ শ্রমিক হিসেবে তাদের বয়স কম হলেও কাজে নিয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে মেশিনে হাত আটকে সোহানের গলা কেটে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী এটি একটি দুর্ঘটনা। তবে মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
