ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা আমির মো. রুহুল আমিন বলেছেন, কোমলমতি শিশুদের শিক্ষায় সম্পৃক্ত করতে কার্যকরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষমতায় গেলে দর্শনা বা দত্তনগরকে কেন্দ্র করে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটায় দর্শনা পৌর অডিটরিয়াম কাম-কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে ‘ছাত্র ও যুব সমাজের মুখোমুখি প্রার্থী’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ছাত্র-যুব প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ ৬ শতাধিক যুবক অংশগ্রহণ করে বলে জানানো হয়।
রুহুল আমিন আরও বলেন, রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা দূর করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করা হবে। দর্শনা-দামুড়হুদা হাইওয়েকে ফোর লেনে উন্নীত করা হবে। কৃষকদের জন্য কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হবে। দর্শনায় সরকারি হাসপাতাল না থাকায় চিকিৎসা সেবার উন্নয়নে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বয়স্ক ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম চালু করা হবে। কিশোর গ্যাং ও যুব গ্যাং নির্মূলে কঠোর সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নারীদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, বেবি কেয়ার, কম কর্মঘণ্টা ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে। পরিবেশ রক্ষায় কোনো সরকারি গাছ না কাটার অঙ্গীকার এবং গাছ কাটায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের দর্শনা পৌর আমির সাহিকুল আলম অপু, ছাত্রশিবির জেলা সেক্রেটারি হাফেজ আমিরুল ইসলাম, সাবেক জেলা সভাপতি মহসিন এমদাদুল্লাহ জামেন, শিবির নেতা আব্দুর রহিম, দর্শনা থানা সভাপতি লোকমান হৃদয়, দামুড়হুদা থানা সভাপতি আল ফাহাদ সবুজ, জীবননগর থানা সভাপতি মো. রাসেল আহমেদ, মাওলানা আব্দুল খালেক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো. মাসুম বিল্লাহ।
