ছবির ক্যাপশন:
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) উদ্যোগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে মহেশপুর উপজেলার সামান্তা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা চাঁদরতনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. রফিকুল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান, মাটিলা কোম্পানি কমান্ডারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রায় ৩০০-৩২০ জন গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে বর্তমানে এসআইআর (ঝঢ়বপরধষ ওহঃবহংরাব জবারংরড়হ) নামে বিশেষ অভিযান চলছে। এর প্রেক্ষিতে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত দিয়ে পুশইন করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে পুশইন ঠেকাতে আনসার-ভিডিপি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখা, বিএসএফ গেট পাহারা দেওয়া, সীমান্তের ওপারের আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে বিজিবিকে জানানো এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে বিজিবির পাশে থাকার বিকল্প নেই।
সভায় তিনি সীমান্তবাসীদের উদ্দেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন, সেগুলো হলো- শূন্যরেখা অতিক্রম না করা। সন্ধ্যার পর সীমান্ত এলাকায় অবস্থান না করা। গবাদিপশু শূন্যরেখায় না চরানো। ভারতের জমি লিজ না নেওয়া বা চাষ না করা। সীমান্ত পেরিয়ে ঘাস কাটতে না যাওয়া। সকল ধরনের চোরাকারবারী (মাদক, স্বর্ণ, গরু, মানুষ ও শিশু পাচারকারী) সামাজিকভাবে প্রতিহত করা। চোরাকারবারি বা পাচারকারীদের বিষয়ে বিজিবিকে তাৎক্ষণিক তথ্য প্রদান। মাদককে সামাজিকভাবে বয়কট করা। সীমান্ত দুর্ঘটনা রোধে আরও সচেতন হওয়া
তিনি বলেন, সীমান্ত অপরাধ নির্মূল ও পুশইন রোধে জনগণের সহযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সভা, সচেতনতা কার্যক্রম ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
