ছবির ক্যাপশন:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জীবননগর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনী পথসভা করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। এই পথসভাকে কেন্দ্র করে ঢল নামে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শত শত নারী ও পুরুষ সমর্থকের। গতকাল সোমবার পৌরসভার ১, ২ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিএমইএ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু।
তিনি বলেন, এখন তারা (জামায়াত) হিন্দু, খ্রিষ্টান ভাইদেরও নমিনেশন দেবেন। এখন নির্বাচন চলে এসেছে, এখন নীতির পরিবর্তন হচ্ছে। মানেটা কী? মানেটা হচ্ছে আবারও ভাওতাবাজীর রাজনীতি। এতদিন কেন করলেন না। এতদিন কেন বললেন না আমরা মুসলমানদের নমিনেশন দেব, আমরা হিন্দু-বৌদ্ধ সবাইকে নমিনেশন দেব। আমাদের দলে তো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলমান সবাই আছে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি রাজনীতি এবং ধর্ম দুটো পৃথক জিনিস। ধর্মীয় বিষয়টি, যার যার ধর্ম সে পালন করবে। কিন্তু রাষ্ট্র আমাদের সবার।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ আরও বলেন, যেটা আমরা ঘোষণা দিই এবং সেটা আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আরও বিশ্বাস করি যেটা, কথা বলার অধিকার, সেটা আমরা প্রকাশ্যে বলতে চাই। দীর্ঘ ১৬ বছর আমরা প্রকাশ্যে, দিনের আলোয়, অথবা রাতে লাইট জ্বালিয়ে শেখ হাসিনার যে স্বৈরচারী আচার তার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলেছি।
হাসান খান বাবু বলেন, আমরা গোপনে কোনো দলের ভেতরে, গোপন সংগঠনে ঢুকে যায়নি। ভেতরে ঢুকে যেয়ে আন্দোলন হয়ে যাওয়ার পর তখন বলছি আমি গোপনে দলের ভেতরে ছিলাম। এসব আন্ডারগ্রাউন্ড পলিটিক্স, গোপন পলিটিক্স আমরা করি না। আমরা প্রকাশ্যে বলি। আমাদের বলার মধ্যে ভুল থাকতে পারে। ভুল থাকলে সেটা সংশোধন করে নেব। আমরা কাজ করি। যে কাজ করে তার ভুল হয়। চলার পথে আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আচার-আচরণে অনেক অসন্তুষ্টির আছে। সত্যি কথা। সেই আচার-আচরণ নিয়ে আমরা কাজ করছি। জনাব তারেক রহমান মনে রাখবেন একজন পোড় খাওয়া রাজনীতিবীদ। ওনার নেতৃত্বের গুণ হচ্ছে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে দলকে ঠিক রেখেছেন। তার নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের শত অত্যাচার, নিপীড়ন, জুলুমের পরও কেউ বিভক্ত হয়নি।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জামান মিয়া, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির ইকবার ঠান্ডু ও শাহজাহান আলী, পৌর বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেন, পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক ইউনূচ আলী, সদস্যসচিব নাজমুর সবুর খান, পৌর যুবদলের সদস্যসচিব মনির হোসেন, জীবননগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাসেল, জীবননগর পৌর স্বেচ্ছাসেবক আহ্বায়ক আশ্রাফ হোসেন, সদস্যসচিব সুমন বিশ্বাস, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আরিফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক লিটন মুন্সী, জীবননগর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন, শ্রমিক নেতা শফিকুল ইসলাম খোকা, গারমেন্টস সমিতির সভাপতি আলমাস ডাবলু, ব্যবসায়ী নেতা মোতালেব হাজী প্রমুখ।
