ছবির ক্যাপশন:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির একক প্রার্থী ঘোষণার মধ্যদিয়ে ধানের শীষের প্রচারণা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ করেই চুয়াডাঙ্গা শহর যেন জেগে ওঠে ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে। শহরের কোর্ট মোড়, কলেজ মোড়, হাসপাতাল মোড়, পৌরসভা মোড়, শহীদ হাসান চত্বরসহ শহরজুড়ে দেখা যায় তরুণ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে থাকা ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি ভালোবাসা, চোখেমুখে বিজয়ের আভা।
বিএনপির একক প্রার্থী ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। কারো হাতে ছিল ধানের শীষ প্রতীক, কারো মুখে স্লোগান- ‘বিজয় হবে ধানের শীষের, বিজয় হবে জনগণের।’ নিজ নিজ বাড়ি থেকে সাধারণ মানুষ ও বিএনপির সমর্থকরা ধানের শীষ স্লোগানে বেরিয়ে আসেন, চুয়াডাঙ্গা শহরের প্রতিটি মোড়ে প্রতিধ্বনিত হয় একটাই আহ্বান- ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে, ধানের শীষের নেতৃত্বেই গণতন্ত্রের বিজয় উচ্চারণ।’
এর আগে সন্ধ্যায় রাজধানীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলন করে সারাদেশের ২৩৭ আসনে একক প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এতে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে শরীফুজ্জামান শরীফ ও চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান বাবুকে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার পর চুয়াডাঙ্গা বিএনপিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নেতা-কর্মীরা এখন উজ্জীবিত প্রচারণায়। শহরের মোড় থেকে গলিতে, বাজার থেকে পাড়ায়- সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, ‘ধানের শীষের জয় হবেই!’
যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের অনেকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশ মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এসময় চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ টনিক, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদিদ জিতু, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান কনক, পৌর ছাত্রদলের সদস্য আরমান খানসহ অসংখ্য তরুণ কর্মীদেরও রাস্তায় দেখা যায়।
