ছবির ক্যাপশন:
তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে শরীফুজ্জামান শরীফ বলেছেন, ‘দেশের যুব সমাজ আজ হতাশাগ্রস্ত, তাদের মেধা ও উদ্যোগকে দলীয়করণের মাধ্যমে দমিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ৩১ দফা রূপরেখায় আমরা এই তরুণদের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে চাই। আমরা একটি আধুনিক যুব উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করব এবং “ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড” আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করব।’ গতকাল রোববার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার কাপড় পট্টিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণাকালে এসব কথা বলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ।
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘যুবকদের চাকরির ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাই হবে একমাত্র মাপকাঠি। তাই আমরা একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন গঠন করব, যা প্রশাসনের দলীয়করণ দূর করে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করবে।’ শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘এই নির্বাচন আমাদের ১০ দফা দাবির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে, এখন তরুণদের হাতেই সেই গণতন্ত্রকে স্থায়ী করার দায়িত্ব। তারেক রহমানের নির্দেশ হলো- তরুণ প্রজন্মকে এই ৩১ দফার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা জানতে হবে এবং দেশ পুনর্গঠনের অগ্রযাত্রায় যুক্ত হতে হবে, কারণ তারাই আগামী বাংলাদেশের চালিকাশক্তি।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতা চায় জনগণের কল্যাণে। জনগণ ফিরে পাবে ভোটাধিকার এবং প্রশাসন হবে সেবামূলক। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনারা সেই পরিবর্তনের সূচনাই করবেন।’
গণসংযোগকালে শরীফুজ্জামান শরীফের সাথে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, জেলা জাসাস-এর সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক খন্দকার কাজী সাচ্চু, যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব আলী, যুগ্ম সম্পাদক মিলন আলী, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর উজ্জ্বল, আলমডাঙ্গা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দীন মোল্লা, সদস্যসচিব সাইফুল আলম কনক, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি খন্দকার আরিফ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া হোসেন শান্তসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
