ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কামান্না গ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে মণ্টু বিশ্বাস (৫১) নামে এক সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি কামান্না গ্রামের ইন্তাজ আলী বিশ্বাসের ছেলে এবং বিএনপির জামির গ্রুপের সমর্থক ছিলেন।
নিহতের ভাতিজা লিমন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তাঁদের এক ভাই আশরাফুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা। তিনি গ্রামে এসে ঘরবাড়ি তৈরি করছিলেন। প্রতিপক্ষ শহীদ মিয়ার ছেলে মাখন আশরাফুলকে নিয়ে কটূক্তি করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কামান্না গ্রামের বিএনপি নেতা আবু তালেব ও মুকুলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। তারা উভয়েই স্থানীয় বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতা জামির গ্রুপের সমর্থক।
সন্ধ্যায় উভয় গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় মণ্টু বিশ্বাস সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার বিশ্বাস তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক তাপস কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। শরীরে জখমের চিহ্ন থাকলেও ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না।’ তবে গ্রামবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
নিহতের মেয়ে তানজিলা খাতুন বলেন, তাঁর বাবাকে প্রতিপক্ষ আবু তালেব, মিরাজ উদ্দিন ও তারিক হোসেন আঘাত করেছে। আঘাতজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে।’
