ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ মাহমুদুল হক লিটন। গতকাল রোববার তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এ কমিটি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তবে সূত্র বলছে, এর নেপথ্যে রয়েছে কমিটির প্রতি অসন্তোষ, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
এদিকে, তাঁর পদত্যাগের খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থা সম্পর্কে নানা মন্তব্যে করেছেন। হালিম রেজা নামের একজন লিখেন, ৫ই আগস্টের পর কিছু অখেলোয়াড়দের নিয়ে দেশের ক্রীড়া সংস্থাগুলো এডহক কমিটি গঠন করার মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গনকে আরও ধংস করা হয়েছে। আমাদের দাবি- যে সমস্ত সাবেক ক্রীড়া সংগঠক, খেলোয়াড় নিজের জেলা বা দেশের জন্য জীবন উজার করে দিয়েছে, তাদেরকে যোগ্য সম্মান দিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে স্বাভাবিক গতিশীলতায় ফিরিয়ে আনবেন, এটাই আমাদের চাওয়া।
মো. সেলিম নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশর গর্ব জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়কে অপমান করা হয়েছে, আমি মনে করি। উনার যোগ্যতা হিসেবে চুয়াডাঙ্গা কমিটি গঠন করা হয়নি।’ মুফতি মামুনর রশীদত নামের এক ব্যক্তি বলে, ‘একজন সাবেক জাতীয় দলের ফুটবলার ও কোচ। তাকে জেলা কমিটিতে মাত্র সদস্য রাখা হয়েছে। এটা তো তার সাথে অন্যায় করা হয়েছে। যোগ্য ব্যক্তির যোগ্য সম্মান/স্থান না দিলে সেখান থেকে সরে আসাটাই ভালো। ধন্যবাদ এভাবে প্রতিবাদ করার জন্য।’
