ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের জোয়াদ্দারপাড়ায় ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। এসময় নাজমুল হোসাইন (৩৮) নামের এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার এক সহযোগী পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তার নাজমুল হোসাইন দামুড়হুদা উপজেলার রামনগর ক্লাবমোড় এলাকার মৃত মানোয়ার হোসেনের ছেলে। তদন্তের স্বার্থে পলাতক আসামির নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলার সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলাব্যাপী মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত শুক্রবার রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সদর থানাধীন জোয়াদ্দারপাড়ার এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে বিশেষ অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশ। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশের এসআই জুম্মান খান, এসআই নাহিরুল ইসলাম, এসআই মুহিদ হাসান, এএসআই মোত্তালেব হোসেন ও এএসআই আবু আল ইমরান।
প্রেস ব্রিফিংএ জানানো হয়, অভিযানে সন্দেহভাজন নাজমুল হোসাইনকে আটকের পর হাতে থাকা প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এসময় ব্যাগের ভেতরে খাকি রঙের কসটেপে মোড়ানো ৩০টি প্যাকেট পাওয়া যায়। যার প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ১৯০টি করে ইয়াবা ট্যাবলেট। ৩০টি প্যাকেট থেকে হয়েছে মোট উদ্ধার হয়েছে ৫ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ১০ হাজার টাকা।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় একজনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও আরেকজন পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে এবং ইয়াবার চালান কার কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল তা উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এই চালানটি চুয়াডাঙ্গায় কারো কাছে সরবরাহ করা হচ্ছিল। তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’ এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নাজমুল ও পলাতক সহযোগীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
