ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা মৎস্য অফিসার আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার সাহাবুদ্দিন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, আলমডাঙ্গা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ, জীবননগর কৃষি কর্মকর্তা আলমঙ্গীর হোসেন, দামুড়হুদা কৃষি কর্মকর্তা শারমীন আক্তার, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী আলী আকবর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর বারী, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজীব হাসান কচি ও সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ।
সভায় জানানো হয়- গত ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলায় ইউরিয়া সার বরাদ্দ রয়েছে ৪ হাজার ৫৩৩ মেট্রিক টন, মজুদ আছে ৩ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন। টিএসপি বরাদ্দ ১ হাজার ২৭১ মেট্রিক টন, মজুদ ৬২৭ মেট্রিক টন। এমওপি বরাদ্দ ১ হাজার ৬৩ মেট্রিক টন, মজুদ ১ হাজার ৪২৪ মেট্রিক টন। আর ডিএপি বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার ২৮৮ মেট্রিক টন এবং মজুদ আছে ১ হাজার ৩০৬ মেট্রিক টন।
এদিকে, শনিবার রাতে সার পাচারের দায়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার ‘হাবিবুর ট্রেডার্স’-এর ডিলারশিপ বাতিলের প্রস্তাব করা হয় সভায়। এছাড়া অক্টোবর মাস থেকে সারের বরাদ্দ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার জানান, বিসিআইসির কাছে হাবিবুর ট্রেডার্সের লাইসেন্স বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হবে। বিসিআইসি সিদ্ধান্ত নিলে তার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে। তখন নতুন কাউকে লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো ডিলারকে যদি ২ হাজার টাকাও জরিমানা করা হয়, তবে তার সারের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে।’
