ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা দারুস সুন্নাত সিদ্দীকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিন বলেছেন, একজন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর কুরআনের ঘোষণা অনুযায়ী, বাবা-মায়ের চক্ষু শীতলকারী ও মুত্তাকিদের ইমাম হিসেবে গড়ে উঠবে হবে। কারণ একজন মুসলমানের তাহজীব তামাদ্দুন অনুযায়ী সে মুসলমান হিসেবে নিজের পরিচয় দেবার সাথে সমাজের মানুষ তার সর্ম্পকে একটা ভালো ধারণা যেন পায়। সমাজ যেন জানে মুসলমান মানে সে একজন ভালো নামাজি, সে সত্য কথা বলে, সুদ খায় না, ঘুষ খায় না, ব্যভিচার করে না, চাঁদাবাজি করে না বরং সর্বদা মানুষের উপকার করার চেষ্টা করে। এরকম একটা পরিচয় যদি বহন করতে পারি তবেই আমি মুসলমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় দর্শনা দারুস সুন্নাত সিদ্দীকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে ২০২৫ সালের আলিম ১ম বর্ষ ও ফাজিল ১ম বর্ষের সবক প্রদান ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি মুত্তাকি অর্থাৎ আল্লাহ-ভীতি অর্জন করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যার হৃদয়ে আল্লাহ-ভীতি থাকে, তার হৃদয়ে পৃথিবীর কোনো ভয় পায় না। একজন ছাত্রকে উত্তম আলেম হতে হলে উত্তম বেশভুষা, উত্তম জ্ঞান, উত্তম আচরণের অধিকারী হতে হবে। তবেই তোমাদেরকে দেখে সমাজের মানুষ উদ্বুদ্ধ হবে।
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা শফি উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাদ্রাসার গভর্নি বডির সহসভাপতি মো. আব্দুল কাদের, গভর্নিং বডির সদস্য ও সাংবাদিক এফ এ আলমগীর, শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আবুল হোসেন, গভর্নিং বডির সদস্য মওলানা শাহ আলম, মো. মনির হোসেন, দর্শনা সাংবাদিক সমিতির সেক্রেটারি মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. আবু সাঈদ প্রমুখ। সবক প্রদান ও দোয়া পরিচালনা করেন প্রবীণ আলেম ও দর্শনা পৌর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা নূরুল ইসলাম।
