ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুিষ্ঠত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় কলেজের মুক্তমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. একেএম সাইফুর রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আজকে নবীন শিক্ষার্থীদের এই কলেজের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং স্বাগত জানাচ্ছি। চুয়াডাঙ্গা জেলার তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রায় ৬৩ বছর অতিক্রম করলো। এবং এই প্রতিষ্ঠান থেকে অনেক গুণী শিক্ষার্থী বাংলাদেশে তথা বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে যারা একাদশ শ্রেণিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হলো, তারাও বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি। যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলো, তারা এই কলেজের সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী। দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আছে, স্নাতক পাশ, স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা এখানে হয়। প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত থাকে এই প্রতিষ্ঠানটি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাইবো তোমরা নিয়মিত কলেজে আসবে এবং ক্লাস করবে। এবং সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। উচ্চমাধ্যমিক খুব অল্প সময়ের, এই অল্পসময়ের মধ্যে যদি তোমরা সব গুছিয়ে নিতে পারো, তবে আগামী দিনের পথচলা খুব সুন্দর হবে বলে আমি মনে করি। তবে এই সময়টাতে শুধু কোচিং আর প্রাইভেট পড়লে সুদক্ষ, সুনাগরিক, সুন্দর মানুষ হয়ে উঠতে পারবে না। প্রতিষ্ঠানের কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলা থাকে, কিছু কর্মকাণ্ড থাকে, সেই নিয়ম-শৃঙ্খলা, কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কলেজে সুন্দর একটা গ্রন্থাগার আছে। এই গ্রন্থাগারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার বই আছে। বইগুলো তোমরা যদি এই দেড় বছরে অল্প অল্প করে কয়েকটা পড়ো, তবে তোমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারবে। এই প্রতিষ্ঠান যদি তোমাদের ফলাফলের ভিত্তিতে সুনাম অর্জন করতে পারে, তবে তুমি গর্বিত হবে, তোমার গর্বের পাশাপাশি আমরা শিক্ষকেরাও গর্বিত হবো।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ফারজানা কেতকী, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সফিকুল ইসলামসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষকসহ একাদশ শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীরা। পরে সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
