ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির কৃষি খামারগুলোতে শুধু আখই নয়, অলস পড়ে থাকা জমিতে হলুদসহ নানা ফসলের চাষ হচ্ছে। এতে খামার যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে, তেমনি এলাকার নিম্নআয়ের মানুষও সারা বছর কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে। সরেজমিনে ডিহি কৃষি খামারে গিয়ে দেখা যায়, এ মৌসুমে ১০ একর জমিতে বারী জাতের হলুদ চাষ করা হয়েছে।
খামারের কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা জানান, কেরু খামারের মোট জমির পরিমাণ ৩ হাজার ৫৫ একর। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৫০ একরে আখ চাষ হয়। আখ চাষের ফাঁকে পড়ে থাকা প্রায় ৬ শত একর জমি ফেলে না রেখে স্বল্পমেয়াদে লিজে দিয়ে বিভিন্ন ফসল আবাদ করা হয়। ডিহি খামার ইনচার্জ মো. এমদাদুল হক জানান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)-এর সহযোগিতায় খামারে ১২ একর জমিতে আউশ ধান এবং ২ একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে হলুদ চাষ হচ্ছে। এছাড়া এ বছর বিএডিসির সহযোগিতায় ১০০ একর জমিতে পাটবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এবার কৃষি খামার গত ৩২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লভ্যাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সারা বছরে বিভিন্ন ফসল চাষের কারণে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এসব শ্রমিক স্থানীয় নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষ, যারা কেরুর উৎপাদনে অবদান রাখার পাশাপাশি এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে।’ কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের নির্দেশনায় খামারের কৃষি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে খামার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
