ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার আড়িয়া গ্রামে অজ্ঞাত রোগে মারা গেছে
বেগমপুর প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহ ইউনিয়নের আড়িয়া গ্রামের একাধিক পুকুরের মাছে দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে পাশাপাশি দুইটি পুকুরের প্রায় ১৬ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। আশেপাশের পুকুরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই রোগ। কোনভাবেই প্রতিকার করা যাচ্ছে না এই রোগ। যার ফলে পাশ্ববর্তী পুকুর মালিকদের মাঝেও দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। তবে বারবার যোগাযোগ করা হলেও কর্ণপাত করে সরেজমিনে এসে বিষয়টি দেখা তো দূরের কথা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তারা কোন পরামর্শও দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ৬২নং আড়িয়া গ্রামে ৪টি পুকুর লিজ নিয়ে শিং মাছ চাষ করেন নেহালপুর গ্রামের মংস্যচাষী কানাই হালদার। প্রায় ৬ মাস পরিচর্যা করে মাছ গুলো বিক্রির জন্য তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত পরশু সকালে হঠাৎ পুকুরে গিয়ে দেখেন কিছু মাছ পানির উপর ভেসে আছে। সেদিনই পুকুরের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মাছ মরে পানির উপর ভেসে ওঠে। হঠাৎ করেই মাছের এমন মারা যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে গিয়ে কানাই হালদার জানতে পারেন ‘এটি একটি ভাইরাস রোগ।’ কিন্তু কোন প্রতিকার করার আগেই পুুকুরের সমস্ত মাছ মরে যায়। ফলে তার প্রায় ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একবারে এত মাছ মরে যাওয়ায় মৎস্য চাষী কানাই হালদার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এদিকে, যে পুকুরে শিং মাছ মারা গেছে এর আশেপাশেও বেশ কয়েকটি পুকুরেও এই রোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় মংস্যচাষীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত ব্যক্তিগতভাবে মৎস্যচাষ করে থাকলেও আজ পর্যন্ত কোন সরকারী মৎস্য কর্মকর্তাদের দেখা পায়নি। এমনকি একাধিকবার উপজেলা মৎস্য কর্মকতার সাথে যোগাযোগ করেও কোন দিন তিনি সরেজমিনে এসে আমাদের পরামর্শ দেননি। দ্রুত এই ভাইরাস রোগের কারণ উদঘাটন ও প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এলাকার মৎস্যচাষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
