ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ইজিবাইকচালকসহ একই পরিবারের ৬ সদস্য। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ছয়টায় চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নয়মাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নিহত সাহার আলী (৫০) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পুরাতন ভান্ডারদহ গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।
আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের পুরাতন ভান্ডারদহ গ্রামের মৃত মুনছুর আলীর ছেলে এবং নিহত সাহার আলীর বড় ভাই আশরাফুল হক (৫৫), জামাত আলীর স্ত্রী বেবী খাতুন (৫০), সাহার আলীর স্ত্রী শেফালী খাতুন (৪০), জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী পারভীনা আক্তার (৪৫), রুহুল আমিনের স্ত্রী, জুরিমা খাতুন (২৭) এবং একই উপজেলার গড়াইটুপি ইউনিয়নের কালুপোল গ্রামের পশ্চিম পাড়ার মকছেদ আলীর ছেলে ইজিবাইকচালক শুকুর আলী (৬৫)। এরমধ্যে ইজিবাইকচালক বাদে সবাই একই পরিবারের সদস্য।
নিহতের ভাতিজা রুহুল আমীন বলেন, ‘আমার নানীর মা মারা যাওয়ায় পরিবারের সবাই আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছিল। পথে একটি ট্রাক পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই আমার সেজো চাচা মারা যান। বাকিদের অবস্থাও ভালো না। মেজ চাচীকে রাজশাহীতে রেফার্ড করা হয়েছে।’
চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার চালায়। ট্রাক এবং ইজিবাইক সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সাহার আলী নামের একজন মারা গেছেন। আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পৌছে দেয়া হয়েছে।’
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আফরিনা ইসলাম বলেন, ‘সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আসেন। এর মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। স্বজনরা জানান তারা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। দুর্ঘটনায় তাদের পরিবারের একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।’
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিও আটক রয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
