ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার সময় এক প্রতারককে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় প্রতারকের সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতাল থেকে মো. রাশেদ (২৬) নামের এক প্রতারককে আটক করা হয়। সে দামুড়হুদা উপজেলার ইদ্রিস আলীর ছেলে ও তার সহযোগী সদর হাসপাতাল সড়কের নিউ মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শহিদুল হক (৭০)। পরে সদর হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে সদর থানা পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাশেদ হাসপাতালের রোগীদের কাছ থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে টাকা হাতিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ তিনি এক রোগীর স্বজনদের কাছে প্রতারণার সময় ধরা পড়েন। ইতিপূর্বে তিনি চিকিৎসা নিতে আসা মুনমুন (২৫) নামের এক রোগীর থেকে ৫০০ টাকা এবং আকাশ (২০) নামের অপর এক রোগীর থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় রোগীগের থেকে প্রতারণা করাই রাশেদের কাজ বলে জানা গেছে। এদিকে, স্থানীয়দের হাতে আটকের পর রাশেদ জানায়, তার সহযোগী হিসেবে কাজ করেন নিউ মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শহিদুল হক। পরে স্থানীয়রা তাকেও আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘সদর হাসপাতাল চত্বর এলাকায় রোগীর সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দু’জনকে আটক করে পুলিশের হেফাজতে দিয়েছে জনতা। তারা বর্তমানে থানায় রয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।’
