ছবির ক্যাপশন:
লালন শাহের মৃত্যুদিন বা তিরোধান দিবসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় দিবস ঘোষণা করায় সরকার প্রধান ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে দর্শনা বাউল পরিষদ। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের সিনিয়র সংগীত ম্যানেজার মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন দামুড়হুদা আ. ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মিজানুর রহমান মন্ডল।
তিনি বলেন, লালন ফকির একজন মানবিক মহা দার্শনিক, লোককবি ছিলেন। তার শান্তিরবাণী দেশ বিদেশে পৌঁছে জাতি সমাজ রাষ্ট্র যে উপকৃত হতে চলেছে সেটাই তার আজ বড় প্রমাণ। তাই লালন ফকিরের দর্শন-ভাব সমৃদ্ধ সুর বাণী বা কালাম যত প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানো যাবে তত মানুষেরউপকার বা মঙ্গলকর হবে বলে সকলের বিশ্বাস।
সভায় দর্শনা বাউল পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট লোক-সংগঠক বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোকসংগীত শিল্পী মনিরুজ্জামান ধীরু বাউল শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। এসময় সংগঠনের সিনিয়র সদস্য রাহাতালি মন্ডল, নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মেল হক, পিন্টু শাহ, রিপন হোসেন, সুজন মিয়া, আসলাম আলি, এনামুল হক, এজাজুল হক, সোহরাব হোসেন, মো. ঝন্টু মিয়া, হাবলু মিয়া, মনু মিয়া, আসিব চাান্দু, আজানউদ্দিন, আ. ছাত্তার, বিল্লাল হোসেন, রমজান আলি, মমিনুল হক, সোহেল আহম্মেদ, সেলিম উদ্দিন, মেহেদি হোসেন সাইদুর রহমান, সমির আলি, মনু মিয়া, নুহুর আলি, স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।,
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস গতকাল বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় লালন ফকিরের তিরোধান দিবসটি "ক" শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
