ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় পারিবারিক দ্বন্দ্বে দেবরের কোদালের আঘাতে ভাবি ডলি বেগম (৩০) আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ডলি বেগম আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের পারকেষ্টপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের স্ত্রী। সুরুজ আলী (২৮) একই গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টয়লেটের জন্য গর্ত খোড়ার সময় মাটি ভাগাভাগি নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এসময় দেবর সুরুজ আলী পাশে পড়ে থাকা কোদাল দিয়ে ডলি বেগমের মাথায় আঘাত করেন।
ডলি বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমরা বাড়িতে টয়লেট তৈরির জন্য একটি গর্ত খনন করছিলাম। গর্ত থেকে যে মাটিগুলো উত্তোলন করা হয় সেগুলো আমি আলাদা জায়গায় সরিয়ে রেখেছিলাম। পরে আমার ছোট দেবর সুরুজ বাড়িতে এসে মাটিগুলো নিতে চায়। এসময় আমি মাটিগুলো দিতে রাজি না হওয়ায় আমার দেবর সুরুজ ও তার স্ত্রী তানিয়া আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে এবং বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সুরুজ পাশে থাকা একটি কোদাল দিয়ে আমার মাথায় সজোরে আঘাত করে। সেই আঘাত আমি হাত দিয়ে প্রতিরোধ করতে গিয়ে হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পাই। পরে পরিবারের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইসরাত জেরিন জেসি বলেন, ডলি বেগম নামের এক নারী মাথায় ও হাতে গুরুতর জখম নিয়ে হাসাপাতালে আসেন। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ও হাত ভেঙে গেছে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি করে নিই।
