ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী হালিম মাহমুদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের পরিচালক ও সরকারের উপ-সচিব মিজানুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের পরিচালক ও সরকারের উপ-সচিব মিজানুর রহমান বলেন, ‘গড়ে আমাদের দেশের শিশুরা ৬ ঘণ্টার ওপরে মোবাইল ব্যবহার করে। এতে অনেক ক্ষতি। অনেকে গোপনে ফেক নামে আইডি খোলে। আমরা ডিভাইস ব্যবহার করব। তবে প্রকাশ্যে, পরিমিত। তাহলে আমরা সুস্থ থাকতে পারবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘যার মোবাইলের নেশা হয়ে গেছে, সে তার থেকে মোবাইল নিলে অন্য আচরণ করবে। আড্ডা দেয়াও কিন্তু একটা খেলা। পিতা-মাতার সাথে আড্ডা দিতে হবে। খেলাধুলা করতে হবে। মাঠে খেলাধুলা করতে হবে। বন্ধুদের সাথে সরাসরি বসে গল্প করতে হবে। বিড়ি থেকে নেশা শুরু হয়। নেশাজাতীয় দ্রব্যের ধারে কাছে যাওয়া যাবে না।’
নিজের বাল্যজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘ভালো বন্ধু তৈরি করতে হবে। আমরা গ্রামে তিন বন্ধু ছিলাম। আমরা তিনজনই ২৪তম বিসিএস এ টিকেছি। বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে, পড়াশোনায় মনোযোগী হবে হবে। বোনদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কিন্তু তোমাদের। তারা যেন নিরাপদে থাকে। কেউ যেন তাদেরকে টিজ করতে না পারে। মেয়েরা এখন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সুস্থ প্রতিযোগিতা করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আঞ্চলিক পরিদর্শক সুশান্ত কুমার সাহা।
