ছবির ক্যাপশন:
প্রতীকী ছবি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার স্মার্ট ফোন নিয়ে পালিয়ে গেছেন। ওই প্রবাসীর দাবি, প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে তার স্ত্রী। এদিকে মাকে না পেয়ে কাঁদছে তার অবুঝ সন্তান। মালোয়েশিয়া প্রবাসী মুজাহিদুল ইসলাম (২৫) সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন। তিনি রামচন্দ্রপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রবাসী বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় গতকাল সোমবার একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর পূর্বে মাগুরা শালিখা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের মেয়ে মোছা. মিম্মা খাতুনের (২২) সাথে প্রেম করে বিয়ে হয় মুজাহিদের। দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে তাদের। বিয়ের তিন বছর পর তিনি স্ত্রী সন্তানকে ভালো রাখার জন্য মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। প্রবাসে যাওয়ার পর তার কষ্টে উপার্জিত টাকা-পয়সা স্ত্রী মিম্মার নামে পাঠাতেন। কিছুদিন পরে একাধিক পুরুষের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পরে মিম্মা খাতুন। সে সময় তিনি খেয়াল খুশিমত বাসা থেকে বেরিয়ে যেতেন এবং নিজের ইচ্ছায় ফিরতেন।
এদিকে ৪ বছরের সন্তান মিসবাহর মুখের দিকে তাকিয়ে মালয়েশিয়া থেকে ফোনের মাধ্যমে মিম্মা খাতুনকে কয়েকবার শোধরানোর চেষ্টা করেন মুজাহিদ। তবে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। গত চার দিন পূর্বে দেশে এসে টাকা-পয়সার হিসাব চাইলে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করেন মিম্মা। পরে গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে শিশু সন্তান মিসবাকে বাসায় রেখে ঘরে থাকা নগদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ২ ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা (মূল্য ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা) ও একটি স্মার্ট ফোন নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
