ছবির ক্যাপশন:
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উদ্যোগে এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় জীবননগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে রচনা ও স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা। গতকাল সোমবার সকালে জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‘অভাব নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারণ’ এই বিষয়কে ঘিরে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় জীবননগর সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয় জীবননগর মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শহরের চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। জীবননগর মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জীবননগর ফাজিল মাদ্রাসা। ফাইনালে মুখোমুখি হয় সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়। চ্যাম্পিয়ন দলের নেতৃত্বে ছিলেন রানিম তারাননুম। দলের অন্য সদস্যরা ছিলেন- জান্নাত জিনিয়া ঐশী ও রেহনুমা কবির হুমা। রানার্সআপ দলের নেতৃত্বে ছিলেন তারিফ তাহসীন, সঙ্গে ছিলেন শাফিয়া নওশীন ও সাদিক মাহমুদ। বিতর্ক পরিচালনায় ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য মহিবুল ইসলাম মুকুল।
বিতর্কের মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন জীবননগর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জসিম উদ্দিন। বিচারক ছিলেন উথলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন, জীবননগর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম তারেক এবং দুদকের সহকারী পরিচালক কাওছার আহমেদ।
এদিকে ‘নৈতিক শিক্ষা চর্চার অভাবেই দুর্নীতির বিস্তার ঘটেছে’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে জীবননগর ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সানিম মাসউদ। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান সায়েদ সাবিদ ও ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ফিরোজ।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের ঝিনাইদহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাওছার আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ডা. শাহিনুর হায়দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যাদব কুমার প্রামাণিক, মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা এবং দৈনিক চুয়াডাঙ্গার সম্পাদক ও প্রকাশক শেখ আব্দুল আজিজ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুন্সী মাহবুবুর রহমান বাবু।
