জুলাই বিপ্লব ও ঝিনাইদহের ছাত্র আন্দোলন

আপলোড তারিখঃ 2025-07-28 ইং
জুলাই বিপ্লব ও ঝিনাইদহের ছাত্র আন্দোলন ছবির ক্যাপশন:

বারো আউলিয়ার আর্শিবাদপুষ্ট ও গাজী-কালূ-চম্পাবতীর উপাখ্যানধন্য এই ঝিনাইদহে জন্মেছিলেন আধুনকি বীজগণিত প্রণেতা কেপি বসু ও সুমলিম রেনেসাঁর কবি গোলাম মোস্তফা। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ও বিপ্লবী বীর বাঘা যতীনের শৌর্যময় জেলাটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বারখ্যাত ঝিনাইদহ এক সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।


মরমি কবি পাগলা কানাই, বীরপ্রতীক সিরাজুল ইসলাম, লালন শাহ ও গাজী-কালূ-চম্পাবতির এই ঝিনাইদহে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর গণআন্দোলনের সূচনা হয়। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে সারাদেশে গণজোয়ারের যে ঢেউ তুলেছিল তা আছড়ে পড়েছিল ঝিনাইদহেও। ফলে ঝিনাইদহ হয়ে ওঠে অগ্নিগর্ভ ও আন্দোলনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র, যেখানে অগণিত ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবন বিপন্ন করে সোচ্চার হয়েছিলেন একটি সাম্যভিত্তিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে।


ঘটনা ৫ জুলাই, ২০২৪ এর আগ পর্যন্ত বেশ সুনসান নীরবতায় কাটছিল ঝিনাইদহ শহর। তেমন কোনো আন্দোলন-সগ্রাম নেই। মানুষ যে যার মতো কাজে ব্যস্ত। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পরিবেশও ছিল শান্ত। ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা ছিল। ওই বছর কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশ করার দাবিতে সারা দেশের মতো আন্দোলনে নামে ঝিনাইদহের শিক্ষার্থীরাও। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি। ২০২৪ সালের ৫ জুন চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রিত উচ্চ আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে মূলত সারা দেশের মতো ঝিনাইদহ জেলাতেও আন্দোলনের সূচনা হয়।


নেতৃত্ব ও পরিকল্পনাহীন এই আন্দোলন কীভাবে গড়ে উঠবে, তা নিয়ে উদীয়মান ছাত্র নেতাদের মধ্যে কথা চলতে থাকে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের সহযোগী ছাত্র সংগঠনরা তখনও নীরব। ১৬ বছর জাতির বুকের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা ফ্যাসিস্ট শাসন হঠাতে কেমন আন্দোলন হবে, আর কি করতে হবে এ নিয়ে তারাও ছিল সন্দিহান। এমন এক যুগসিন্ধক্ষণে ঢাকার আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ঝিনাইদহেও এমন আন্দোলন গড়ে তোলা যায় কি না তা নিয়ে প্রস্তাবনা দেন শৈলকূপার সন্তান মো. রিহান হোসেন (রায়হান)। তিনি তার আন্দোলনের সহকর্মী হরিণাকুণ্ডুু উপজেলার ঘোড়দাহ গ্রামের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেনকে জানিয়ে দেন কেউ না আসলে তিনি একাই ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে দাঁড়িয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দিবেন। রিহানের এই প্রস্তাবের পর প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ১২ জুলাই ঝিনাইদহ শহরের লা এলিমেন্ত রেস্টুরেন্টে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সাইদুর রহমান, শারমিন, আবু হুরাইরা, আনিছুর রহমান, জুলফিকার, মাজিদুল ইসলাম, উজ্জ্বল ও শাহিনসহ ১২-১৩ জন উপস্থিত ছিলেন। 


১৩ জুলাই দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ে। সেখানেই আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণ ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার দাবিতে উজির আলী স্কুল মাঠ থেকে মিছিল শুরু হয়। ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ স্লোগানে মুখরিত হয় ঝিনাইদহ শহর। পুলিশের হুমকি ও সশস্ত্র ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করতে গেলে শেখ হাসিনার অনুগত জেলা প্রশাসক ও ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার এস এম রফিকুল ইসলাম ছাত্রদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে চরম ক্ষুব্ধ হন আন্দোলনকারী ছাত্র নেতারা। জনগণের সেবক হয়েও এমন আচরণে ব্যথিত হয়ে সেদিনের কর্মসূচি শেষ করেন শিক্ষার্থীরা।


১৫ জুলাই আন্দোলন বেগবান করতে শহরের কলাবাগান পাড়ার প্রান্তিক পার্কে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সমন্বয়ক কমিটি করা হয়। সেখানে সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ-সমন্বয় হিসেবে শারমিন সুলতানা, মো. রিহান হোসেন (রায়হান), সাইদুর রহমান, আবু হুরাইরা, মাজেদুল ইসলাম উজ্জ্বল ও এলমা খাতুনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই কমিটির সদস্য ছিলেন আনিচুর রহমান, অন্তর, স্বাধীন ও নুসরাত জাহান (সাথি)।
১৬ জুলাই উজির আলী স্কুলমাঠে ছাত্র-ছাত্রীর শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও সমাবেশের আহহ্বান করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল শুরুর প্রস্তুতিলগ্নে পুলিশ প্রটোকলে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হামলে পড়ে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর চালানো হয় বর্বর হামলা। সেদিনের হামলায় সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কালীগঞ্জের মাহিন, স্টেডিয়ামপাড়ার শারমিন সুলতানা, সাথি খাতুন, আবু হুরাইরা, এলমা খাতুন, সাইদুর রহমান, রিহান ও আবু সাইদসহ ৩০ জনেরও অধিক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। হামলার পর ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থীদের মনোবল। ঝিনাইদহ শহরের ছাত্রাবাসগুলোতে পুলিশি অভিযানের পাশাপাশি শুরু হয় ছাত্রলীগের হামলা। ভয়ে আতঙ্কে শহর ছাড়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী।


১৭ জুলাই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে ঝিনাইদহ আলিয়া মাদ্রাসার সামনে সমবেত হয় দুই থেকে তিনশ শিক্ষার্থী। একদিকে স্বৈরাচার হাসিনার পোষ্য বাহিনীর দেশীয় অস্ত্র, অন্যদিকে আওয়ামীপন্থি পুলিশ বাহিনীর বুলেট সবকিছু উপেক্ষা করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে উত্তাল হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ শহর।


১৮ জুলাই ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে কঠোর পুলিশ পাহারায় ছাত্র-জনতার গণজোয়ার তৈরি হয়। সহ-সমন্বয় শারমিন সুলতানার গগনবিদারী স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ। এদিনের এই আন্দোলন বিস্ম¥য়ের সৃষ্টি করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাঠে না সকল শ্রেণির মানুষ। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরও ছায়ার মতো পাশে পাশে ছিল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। এদিন পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শহরে প্রবেশ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। ঝিনাইদহের ইতিহাসে রচিত হয় এক নতুন অধ্যায়। এদিন রাতে বন্ধ করে দেয় সারাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক, জারি করা হয় কারফিউ। তারপরও থামেনি ঝিনাইদহের দামাল ছেলে মেয়েরা।


১৯ জুলাই পুলিশি প্রহরায় ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল অবরুদ্ধ রাখে পুলিশ। ফলে সেখানে আন্দোলনকারীরা ঢুকতে পারে না। সেখানে এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে রিহান, আবু-হুরায়রা ও শারমিনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ওই দিন ঝিনাইদহ সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে শিক্ষার্থীদের নামে মামলা করে। মামলায় আসামি হন আন্দোলনের সামনের সারিতে নেতৃত্ব থাকা শিক্ষার্থীরা।


২১ জুলাই স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার দেশব্যাপী গণবিস্ফেরনের মুখে কোটাপদ্ধতির সংস্কার করতে রাজি হলেও এই বিশাল মৃত্যু উপত্যকা পদদলিত করে ছাত্র-ছাত্রীরা আপস প্রত্যাখান করে। ১৪৪ ধারা, ভয়ংকর কারফিউ ও পুলিশি ভয় কাটিয়ে দীর্ঘ ১১ দিন পর ৩১ জুলাই আবার রাস্তায় নামে ঝিনাইদহের শিক্ষার্থীরা। ঝিনাইদহ জেলা জজকোর্ট প্রাঙ্গণে ঘোষণা করা হয় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি। শিক্ষার্থীরা যেন কোনোভাবেই জর্জকোর্ট প্রাঙ্গণে পৌঁছতে না পারে, এমন পরিকল্পনায় ঝিনাইদহ শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যাপকভাবে পুলিশ মোতায়েন করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার। তারপরও এলজিইডি ভবনের পাশে ভিআইপি সড়কে মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা।


ঝিনাইদহে সপ্তম কর্মসূচির দিনটি ক্যালেন্ডারের হিসেবে পহেলা আগস্ট হলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও মুক্তিকামী জনতার কাছে দিনটি ছিল ৩২ শে জুলাই। ওই দিন ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর থেকে সাধারণ ছাত্র-জনতা মিছিল শুরু করলে অগণিত সাধারণ মানুষ শহরের অলিতে গলিতে ভরে যায়। বিএনপি, জামায়াত, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ইসলামি ছাত্র আন্দোলনসহ সর্বস্তরের মানুষ নেমে আসে ঝিনাইদহের রাজপথে। ক্যালেন্ডারের হিসেবে ২ আগস্ট হলেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও মুক্তিকামী জনতার কাছে দিনটি ছিল ৩৩ শে জুলাই। ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শত বাধা সত্ত্বেও আন্দোলন কর্মসূচি পালিত হয়। ছাত্র-জনতার সাথে ঝিনাইদহ জেলা জজ আদালতের আইনজীবীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আন্দোলন আরো বেগবান করে।


ক্যালেন্ডারের পাতায় ৩ আগস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ৩৪ শে জুলাই। ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পায়রাচত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। প্রবল বৃষ্টির সাথে হাজারো মানুষের সংগ্রামী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ। ৪ আগস্ট এক দফা এক দাবিতে সারা দেশের মতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ঝিনাইদহ। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে উন্মাদনা। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই বিজয়ের খুশবু ছড়িয়ে পড়ে। ঝিনাইদহের বাইরে-গলিতে, পাড়ায়, মহল্লা থেকে দলে দলে মানুষ ছুটে আসে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে। ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহিদমিনার থেকে গণজোয়ারপুর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ঘুরে আবার পায়রা চত্বরে অবস্থান নেয়। ঝিনাইদহ পোস্ট অফিস মোড়ে পুলিশ বাহিনীর অতর্কিত হামলায় দু’দলে বিভক্ত হয়ে যায় ছাত্র-জনতা। বিপদে পড়ে পুলিশ। নিজেরা বাঁচতে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হন। রাজপথেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিম। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহযোগী সংগঠন নিয়ে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। অস্ত্র নিয়ে মিছিল বের করে ছাত্র ও যুবলীগের ক্যাডাররা। ঝিনাইদহের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও বিএনপির জেলা অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়।


৬ তারিখের কেন্দ্র ঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ এগিয়ে ৫ তারিখ করা হয়। ঝিনাইদহের আওয়ামী শিবিরে কাঁপন ওঠে। বিপ্লবীদের ‘দফা এক দাবি এক, স্বৈরাচারের পদত্যাগ’, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপদাদার’ এমন ¯ে¬াগান দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ভয়হীন হয়ে ওঠে ঝিনাইদহের মানুষ। হামদহ বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচি পায়রা চত্বরে এসে পরিণত হয় জনসমুদ্রে। পায়রা চত্বরেসবাই এক মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় দিন গুনতে থাকে পুরো ছাত্র-জনতা। অবশেষে বেলা ২টা নাগাদ স্বৈরাচারীর পতন সুষ্পষ্ট হয়। মাইকে ভেসে উঠে লড়াইয়ের পূর্ণতার কথা। আনন্দ জোয়ারে ভেসে ওঠে সমগ্র ছাত্র-জনতা, মানুষের মুখে ফুটে ওঠে সফলতার হাসি।


এক নির্মম স্বৈরাচারীর পতনের পর সংগ্রামী ছাত্র ও আমজনতার গণভবন দখল আনন্দের বারীধারা নিয়ে আসে বাংলার বুকে। সকালের বিক্ষোভ মিছিলে আসা সংগ্রামী মানুষগুলা ঘরে ফিরে যায় আনন্দ মিছিল নিয়ে। শেষ হয় ১৫ বছর ধারে চলতে থাকা অত্যাচার-নিপীড়ন, গুম-খুনের এক রক্তাক্ত কালো অধ্যায়। বাংলার মানুষ নতুন করে ফিরে পায় স্বাধীনতা। 


জুলাই বিপ্লবে ঝিনাইদহের ছাত্র-জনতার ভূমিকা ছিল অগ্রণী। এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে, একতা ও সৎসাহস থাকলে কোনো স্বৈরাচারই টিকতে পারে না। শাখওয়াত হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রায়হান হোসেন, শারমিন সুলতানা, এলমা খাতুন, আবু হুরায়রা, সাইদুর রহমান ও রত্না খাতুনের দক্ষ নেতৃত্ব এবং বিএনপি-জামায়াতের সহযোগী সংগঠনের ছায়ায় ছাত্র-জনতার ঐক্যে গড়ে ওঠে জুলাই বিপ্লবে ঝিনাইদহের ইতিহাস।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)