ছবির ক্যাপশন:
ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোগে শুরু হয়েছে ফগার মেশিনে স্প্রে কার্যক্রম। গতকাল রোববার বিকেলে বড় বাজার শহিদ হাসান চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ডিডিএলজি) শারমিন আক্তার। মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে শারমিন আক্তার বলেন, ‘বর্ষাকালে মশাবাহিত রোগ, বিশেষ করে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। যদিও চুয়াডাঙ্গায় এখনও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নেই বললেই চলে, তবুও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৪ জুলাই থেকে পৌর এলাকায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কর্মসূচি শুরু করেছি। এর আওতায় বাজার ও আবাসিক এলাকার ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে, এবং সকাল ও বিকেলে মশকনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬০% কাজ শেষ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের এই যুদ্ধ শুধু পৌরসভা বা প্রশাসনের নয়, সকল নাগরিকদেরও সচেতনতা প্রয়োজন। তাই আমরা ১০ হাজার সচেতনতামূলক লিফলেট ছাপাচ্ছি, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের মাঝে বিতরণ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘সবাইকে অনুরোধ করছি- বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা স্বচ্ছ পানি অপসারণ করুন, এবং দিন-রাত মশারি ব্যবহার করুন। সম্মিলিত উদ্যোগেই ডেঙ্গু রোধ করা সম্ভব।’ তিনি জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অনুমোদিত ২ লাখ টাকার বরাদ্দ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় স্প্রে কেনা হয়েছে। বাকি অর্থ দিয়ে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ চলছে। পাশাপাশি নদী ও ড্রেন পয়েন্টে প্লাস্টিক বর্জ্য ঠেকাতে জাল বসানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এই কার্যক্রমে স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আমরা ডেঙ্গু ও মশার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে পারি।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, টিকাদান সুপারভাইজার আলী হোসেন ও কনজারভেটিভ কর্মকর্তা যুবায়ের হোসেন।
