ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়া গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন সোপান’ এর আয়োজনে ইসলামিক কনফারেন্স ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার এশার নামাজের পর বড়শলুয়া দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে অংশ নেন দুই শতাধিক মুসল্লি। ‘সুন্নাতি চেতনায় মোরা কুসুমিত তরুণদল’ স্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে নানা কল্যাণমূলক কাজে যুক্ত রয়েছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বড়শলুয়া দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদে তারা শুরু করে ‘ফ্রি নামাজ ও কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি’। ১৪ মাসব্যাপী এ ধারাবাহিক শিক্ষাক্রমে ২০ জন মুসল্লি কোরআন ও নামাজ শিক্ষা সম্পন্ন করেন। যাদেরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইসলামি আলোচক হযরত মাওলানা ইকরামুল হক বেলালী। প্রধান অতিথি ছিলেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। কনফারেন্সটি পরিচালনা করেন কর্মসূচির শিক্ষক হাফেজ ক্বারী ওসমান গনি।
প্রধান বক্তা তাঁর আলোচনায় ‘দুনিয়া ও আখিরাতের প্রয়োজনে কোরআন শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা’ তুলে ধরেন। এরপর ‘স্বপ্ন সোপান’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ডা. কনক রেজা অংকন স্ক্রিন প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সংগঠনের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।
সংবর্ধনা পর্বে সম্মাননা দেওয়া হয় সংগঠনের প্রজেক্ট ডিরেক্টর সোহেল, নাজমুল হোসেন (রকি), তানছির আহমেদ, ইব্রাহীম হোসেন এবং ব্লাড ব্যাংক পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান (জনি)-কে। পাশাপাশি কোরআন ও নামাজ শিক্ষা সম্পন্নকারী মুসল্লীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফুল, সনদপত্র ও কোরআন।
সংগঠনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্বপ্ন সোপান বড়শলুয়ার জন্য সৌভাগ্যের প্রতীক। তরুণদের এই প্রয়াস নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।’ অনুষ্ঠানের সভাপতি হজী খলিলুর রহমান বলেন, ‘আজকের আয়োজনটি কল্পনাতীত। মসজিদ-ভিত্তিক যেকোনো উদ্যোগে আমরা তাদের পাশে থাকব।’ অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মাহফিল ও মুসল্লিদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।
