ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা পৌর এরাকায় ব্যাপকহারে চুরি বেড়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে একের পর এক ধারাবাহিকভাবে চুরি ঘটনা ঘটেই চলেছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পরানপুর মাঝপাড়া থেকে আফাজ উদ্দিনের জামাই ইসরাফিল হোনের একটি আলমসাধু চুরি হয়েছে।
আফাজ উদ্দিন বলেন, আমার জামাই একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গত কয়েকদিন আগে আলমসাধুটি ক্রয় করে। এ ঋণের টাকা কি করে পরিশোধ করবে তা নিয়ে মহা-চিন্তায় পড়ে গেছি।
এর আগে গত ১৭ জুলাই রাতে দর্শনা জননী বস্ত্রালয়ের সাটার ভেঙে ৫১ হাজার টাকা ও কিছু দামি কাপড় চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। এছাড়া এক সপ্তাহ আগে দর্শনা-লোকনাথপুর সড়কের ধাঁপাড়ীর মাঠ মাঝামাঝি স্থানে পারকৃষ্ণপুর মদনা ইউনিয়নের মদনা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে ডালিমকে (২৫) মারধর করে একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা।
১০/১২ দিন আগে দর্শনা কলেজ পাড়ার মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ির উঠান থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এছাড়া দর্শনা পরানপুর গ্রামের মৃত নুরল ইসলামের ছেলে মুকুলের বাড়ি থেকে একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও দর্শনা রিফিউজি কলনী আলাউদ্দিনের বাড়ি থেকে ৭/৮ দিন আগে একটি গ্যাস সিলিন্ডার এবং পরানপুর স্কুল পাড়ার আফেল উদ্দিনের বাড়ি থেকে পানি তোলা মোটর চুরি হয়েছে। এছাড়া পরানপুর মাঠে থেকে গত কয়েক মাসে ঝুড়ু মন্ডলের ছেলে, হাবিল মন্ডলের ছেলে মনিরুল ইসলামেরসহ ৩টি স্যলোমেশিনের পার্সপত্র খুলে নিয়ে যায় চোরেরা।
এদিকে পাইপঘাট পাড়ার আনছার আলীর বাড়ি ও প্রভাষক মিল্টন কুমারের বাড়িতে চুরি ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) শহীদ তীতুমীর বলেন, এ ধরনের অভিযোগ তো আসেনি। তবে আলমসাধু চুরির বিষয়ে জিডি হয়েছে।
