ছবির ক্যাপশন:
গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা ও দেশব্যাপী আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে শহরের বড় বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এই বিক্ষোভ মিছিলটি শহিদ হাসান চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেল জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জেলা সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আলতাফ হোসেন, জেলা যুব বিভাগের সভাপতি নুর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু, আইন ও আদালত বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জিয়াউল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি অ্যাড. আসাদুজ্জামান।
সমাবেশে অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, গোপালগঞ্জ বাংলাদেশেরই অংশ। যারা বাংলাদেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়েছে তারা বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না। সুতরাং কেউ জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ করবে আর বাংলাদেশের মানুষ চুপ থাকবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা বলতে চাই শুধু গোপালগঞ্জ নয়, চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। দেশের স্বার্থে জাতির স্বার্থে যেখানে এসকল সন্ত্রাসীদের পাওয়া যাবে, সেখানেই তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা আর দেখতে চাই না।
জেলা আমির শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি চলে গিয়েছেন আর আপনার দোসরদের রেখে গিয়েছেন, আল্লামা সাইদী সাহেবেরে রায়ের দিন আপনি ১৮৮ জনকে গণহত্যা করেছিলেন, এখানেই শেষ নয়, জুলাই আন্দোলন শুরু হলে আবু সাঈদের হত্যার মাধ্যমে আপনি আবার গণহত্যার পুনরাবৃত্তি করলেন। আপনি চলে গিয়েছেন প্রশাসনে কিছু প্রেতাত্মা রেখে গেছেন।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে কাউকে বেঈমানি করতে দেব না। আগামী ১৯ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় ঐক্যের ডাক দিবেন।
এদিকে জীবননগরে জামায়াত ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জীবননগর উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আয়োজনে জীবননগর মেইন শহর থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জীবননগর হাইস্কুলের সামনে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শাখার প্রচার ও আইটি সম্পাদক মো হারুন অর রশীদ, উপজেলা বায়তুলমাল সম্পাদক আসাবুল হক মল্লিক, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. কামাল হোসেন, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আল আমিন, পৌর আমির মাওলানা ফিরোজ হোসেন, হাসাদাহ ইউনিয়ন আমির মো আখতারুজ্জামান, সীমান্ত ইউনিয়ন আমির মো আব্দুল ওয়াহেদ, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আমির মো আব্দুর রহমান মাস্টার, বাঁকা ইউনিয়ন আমির মাওলানা মফিজুর রহমান, উথলী ইউনিয়ন আমির মাওলানা আরিফুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন আমির আব্দুর রহমান, রায়পুর ইউনিয়ন আমির আমির হামজা, মনোহরপুর ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম, যুব জামায়াতের সভাপতি মাজিদুর রহমান লিটন, জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম প্রমুখ।
