ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার বিতর্কিত সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক অভিযোগের তদন্তে মাঠে নেমেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তার মালিকানাধীন আলমডাঙ্গা শহরের ব্যক্তিগত ক্লিনিক ‘ডক্টরস কেয়ার অ্যান্ড স্পেশালাইজড’ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত দল। এ বিষয়ে তদন্ত দলের সভাপতি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ডা. হাদীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সবকিছু নিয়েই নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে চুয়াডাঙ্গায় সরেজমিন তদন্ত শুরু করব।’ এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার আলমডাঙ্গার ওই বেসরকারি ক্লিনিকে যান তারা।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় দৈনিক সময়ের সমীকরণ, যমুনা টেলিভিশন, ডিবিসি টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ডা. হাদীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলে দুই পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করে। এতে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় তিনি সরকারি পদে থেকেও নিজের নামে অবৈধভাবে ওই ক্লিনিক চালু করেন। অভিযোগ আছে, সরকারি হাসপাতালের রোগীদেরও তিনি নিয়মিত নিজের ক্লিনিকে পাঠাতেন। এই কর্মকর্তা সর্বশেষ বিতর্কে নিজের নাম লেখান চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ৫ আগস্টের পর ডা. হাদীকে চুয়াডাঙ্গা জেলার সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপরেই স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে হাইকোর্ট স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগের ফলাফল ৬ মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ দেন।
