ছবির ক্যাপশন:
ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে অপহরণের পর ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলার চারজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটককৃতরা হলেন- গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার নবগ্রামের সাইদ তালুকদার, মহসিন শেখ, হাফিজুর রহমান মোল্লা ও আমজাদ হোসেন।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, শনিবার রাতে শামীম মোল্লা শৈলকূপার গাড়াগঞ্জ বাজার এলাকায় নিজের গ্যাস পাম্পে বসেছিলেন। এ সময় দুটি মাইক্রোবাসযোগে একদল লোক সাদা পোশাকে এসে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায়। ওসি আরও জানান, অপহরণকারীরা শামীম মোল্লার পিতা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাব্দার হোসেন মোল্যার কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান শুরু করে।
পুলিশের অভিযানে একটি মাইক্রোবাস ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে চক্রটি পুলিশের উপস্থিতি টের পায় এবং শামীম মোল্লাকে রাস্তার পাশে ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। তবে ঘটনাস্থল থেকেই চারজনকে আটক করা সম্ভব হয়। অপহরণে ব্যবহৃত আরেকটি মাইক্রোবাস পালিয়ে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে অপহরণ চক্রের মূল হোতাকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অপহরণের ঘটনার বর্ণনায় শামীম মোল্লা বলেন, ‘কুষ্টিয়া থেকে কাজ শেষে গ্যাস পাম্পে বসেছিলাম। রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুটি মাইক্রোবাসে কয়েকজন লোক এসে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আমাকে গাড়িতে তোলে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরির পর তারা একটি অজানা জায়গায় ফেলে রেখে চলে যায়। একপর্যায়ে পরিবার থেকে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে পুলিশের সহায়তায় আমি বাড়ি ফিরতে পেরেছি।’
