যশোর বোর্ডের ১০ জেলার মধ্যে চুয়াডাঙ্গার অবস্থান ষষ্ঠ

এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৬৮.৪৫, ১৬ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ

আপলোড তারিখঃ 2025-07-11 ইং
যশোর বোর্ডের ১০ জেলার মধ্যে চুয়াডাঙ্গার অবস্থান ষষ্ঠ ছবির ক্যাপশন:

গতবারের মতো এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সিলেবাসে। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থীরা এবছর এক মাস বেশি সময় পেয়েছিলেন। তারপরও পরীক্ষায় পাশের হার কমেছে ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। যা গত ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। একইসঙ্গে জিপিএ ৫ কমেছে ৪২ হাজার ১২৭ জনের। সার্বিকভাবে এবার ফল বিপর্যয় হয়েছে সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান বলছেন, কোনো ধরনের বাড়তি নম্বর বা গ্রেস মার্কস কাউকে দেওয়া হয়নি। মেধার প্রকৃত মূল্যায়নের শতভাগ প্রচেষ্টা করা হয়েছে। পরীক্ষকদেরও সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ফলে এটিই প্রকৃত ও সত্য ফল। এ নিয়ে সন্দেহ-সংশয় ও ক্ষোভের সুযোগ নেই।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ শিক্ষার্থী পাশ করেছেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ। এবারও পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা। এবার ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীদের পাসের হার বেশি ৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ। মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৮ হাজারেরও বেশি।


চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রতিটি শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশ করা হয়। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হারের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে পাশের হার ৭৭.৬৩ শতাংশ। আর সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাশের হার ৫৬.৩৮ শতাংশ। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাশের হার ৬৮.০৪ শতাংশ। অন্যদিকে দাখিল পরীক্ষায় ৬৮.০৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। গতবার এই হার ছিল ৭৯.৬৬ শতাংশ। এবার দাখিলে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৬৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৪ হাজার ২০৬ পরীক্ষার্থী। এবার দাখিলে পাশের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। অন্যদিকে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় পাশের হার ৭৩.৬৩ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন। গতবার এই পাশের হার ছিল ৮১.৩৮ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৯৪৮ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৭৮ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ এবার এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল শাখায় পাশের হার কমেছে, তবে জিপিএ-৫ বেড়েছে।

চুয়াডাঙ্গা:
যশোর বোর্ডে এ বছর ফলাফলে এবার এগিয়েছে চুয়াডাঙ্গা। ১০ জেলার মধ্যে এ বছর চুয়াডাঙ্গার অবস্থান ষষ্ঠ। গতবছর চুয়াডাঙ্গার অবস্থান ছিল অষ্টমে। তবে পাশের হারে নেমেছে চুয়াডাঙ্গা। এ বছর জেলায় মোট পাশ ৭২.১৬ শতাংশ। গতবছর ২০২৪ সালে পাশের হার ছিল ৯০.৮২ শতাংশ এবং তার আগের বছর ২০২৩ সালে পাশের হার ছিল ৮৩.৪৫ শতাংশ। মূলত এ বছর যশোর বোর্ডেই কমেছে পাশের হার। এ বছর যশোর বোর্ডে পাশের হার ৭৩.৬৯ শতাংশ ও গত বছর পাশের হার ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর যশোর বোর্ডের অধীনে চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৯টি কেন্দ্রে ১৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার ১৫০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো। এর মধ্যে ছাত্র ৪ হাজার ৫০৫ জন ও ছাত্রী ৪ হাজার ৬৪৫ জন। পাশ করেছে ৬ হাজার ৬০৩জন পরীক্ষার্থী। পাশের মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ৯৮৪জন ও ছাত্রী ৩ হাজার ৬১৯ জন। এ বছর চুয়াডাঙ্গায় অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০৩ জন। এ বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘মোট অংশগ্রহণকারী ৪ হাজার ৫০৫ জন ছাত্রের মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৫২১ জন ও ৪ হাজার ৬৪৫ ছাত্রীর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ২৬ জন ছাত্রী। গত বছর যশোর বোর্ডের ১০ জেলার মধ্যে চুয়াডাঙ্গার অবস্থান অষ্টম, এর তার আগের বছর ছিলো সপ্তম। গত বছর পাশের হার ছিলো ৮৩.৪৫ শতাংশ।


যশোর বোর্ডের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ফলাফলে খুলনা বিভাগে শীর্ষে রয়েছে যশোর জেলা। এই জেলায় পাশের হার ৭৯.০৭ শতাংশ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে খুলনা জেলা, পাশের হার ৭৭.৯৪। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সাতক্ষীরা। এছাড়া চতুর্থ নড়াইল, পঞ্চম কুষ্টিয়া, ষষ্ঠ চুয়াডাঙ্গা, সপ্তম বাগেরহাট, অষ্টম মাগুরা, নবম ঝিনাইদহ এবং দশম স্থানে রয়েছে মেহেরপুর।
এদিকে, ফলাফল ঘোষণার পর শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ অপেক্ষার সন্তানদের ভালো ফলাফলে তারা বেশ খুশি। অভিভাবকরা জানায়, ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাটা অত্যন্ত ইতিবাচক। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণেই শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের গতিশীলতা ধরে রাখতে পেরেছে।

দামুড়হুদা:
দামুড়হুদা উপজেলার ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১১টি দাখিল মাদ্রাসার ২ হাজার ৬৭১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ২ হাজার ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১ হাজার ৫১৩ জন পাশ করেছে। অকৃতকার্য ৭২০ পরীক্ষার্থী। এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৩ জন। মাধ্যমিকে পাশের হার ৬৭%। এদিকে, দামুড়হুদা উপজেলার ১১টি দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২০৬ জন পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। অকৃতকার্য হয়েছে ১৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাশের হার ৬১.১২%।

জীবননগর:
জীবননগর উপজেলায় ২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১ হাজার ২৯৬ জন পরীক্ষার্থী এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ৯৮৭ জন কৃতকার্য হয়েছে। আর ৩০৯ জন অকৃতকার্য হয়। এ বছর জীবননগর সরকারি থানা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়কে পিছনে রেখে জিপিএ-৫ এ এগিয়ে রয়েছে জীবননগর শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। জীবননগর সরকারি থানা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। আর শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। এছাড়া ২০ জন জিপিএ-৫ পেয়ে তৃতীয় হয়েছে হাসাদহ বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
এছাড়া জীবননগর উপজেলার ৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২৭১ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ২৪৩ জন কৃতকার্য হয়েছে। আর ২৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদিকে এ বছর জীবননগর উপজেলায় এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ৪৮৩ জন অংশগ্রহণ করে ৩২০ জন কৃতকার্য হয়েছে। আর ১৬৩ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ৩৯ জন জিপিএ-৫ লাভ করেছে।

আন্দুলবাড়ীয়া:
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হারে প্রথম হয়েছে শাহাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৫৫ জন। ৫১ জন পাশ করেছে। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। অকৃতকার্য করেছে ৩ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষার ৭০ জন অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৬০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৯ জন।

আর ফল বিপর্যয় ও পতন ঘটেছে আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের। এ বছর মোট পরীক্ষায় ৬৭ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩০ জন। আন্দুলবাড়ীয়া আশরাফিয়া আলিম মাদ্রাসা হতে দাখিল পরীক্ষায় ৩৪ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৪ জন। কেউ জিপিএ-৫ পায়নি। এছাড়াও কেডিকে ইউনিয়নের কাশিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এসএসসি পরীক্ষায় ৭৮ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩২ জন। শতকরা পাশের হার ৬১.৩৩%,


উথলী:
গতকাল সারাদেশে একযোগে প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল। জীবননগর উপজেলার মোট ৩৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে উথলী ইউনিয়নে ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০৫ জন। এদের মধ্যেে কৃতকার্য হয়েছে ১৪০ জন। আর অকৃতকার্য হয়েছে ৬৫ জন।    উথলী ইউনিয়নের অভিভাবক ও সুধী মণ্ডলীরা পাসের হার দেখে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। তারা আগামীতে যেন আরো ভালে রেজাল্ট আসে এই প্রত্যাশা রেখেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে।


মেহেরপুর:
মেহেরপুরে চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষায় জেলার চারটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফল বিপর্যয় ঘটেছে। তবে ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলাফল বিশ্লেষণে জানা গেছে, মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ২৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২০৮ জন, ফেল করেছে ৫৩ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে মাত্র ৩৯ জন। পাসের হার ৭৯.৬৯ শতাংশ। মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২২৮ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬০ জন, পাসের হার ৮১.৮৩ শতাংশ। গাংনী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ৬১ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩৩ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৫৫ শতাংশ। মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৭৩ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ জন। পাসের হার ৮৩ শতাংশ।
এদিকে, মেহেরপুরের প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১২০ জন পরীক্ষা দিয়ে শতভাগ পাস করেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৫০ জন। গাংনীর সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৩৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ১৩৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬২ জন। তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে গাংনী সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান লালু বলেন, এ বছর এসএসসির রেজাল্ট একটু খারাপ হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনো কথা বলেননি। চলতি বছর মেহেরপুরের ১৩টি কেন্দ্রে ৬ হাজার ৭১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪ হাজার ২১০ জন পাস করেছে। জেলায় পাসের হার ৬২.৭০ শতাংশ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)