ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা কেরু উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০ জন ছাত্র-ছাত্রী সরকারি উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে সুনামধন্য এ প্রতিষ্ঠানে ছয় বছর ধরে নেই কোনো নিয়মিত প্রধান শিক্ষক। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের দায়িত্বেই চলছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানাবিধ অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, চলতি বছর উপবৃত্তির তালিকা যথাসময়ে না পাঠানোর কারণে ৯০ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গত ২৯ মে ছিল অনলাইনে আবেদন করার শেষ সময়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১২৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে, এর মধ্যে ৯২টি সঠিক হলেও মাত্র ২ জনের টাকা এসেছে। ফলে ৯০ জন শিক্ষার্থী প্রতি মাসে চার হাজার টাকা করে তিন বছরের জন্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছে, এই ব্যর্থতার জন্য প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বহীনতা দায়ী।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে উপবৃত্তির আবেদন করতে হয়। কেউ ফেল করলে পুনরায় নবম শ্রেণিতে গিয়ে আবেদন করতে হয়। ফলে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এ ঘটনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামকে।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বলেন, ‘শিক্ষা অধিদপ্তরে তালিকা এন্ট্রি না হওয়ায় জটিলতা হয়েছে, দ্রুত সমাধান হবে।’ কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, ‘আমি সরাসরি এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত নই, তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
