ছবির ক্যাপশন:
মুজিবনগরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন শসা চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কম খরচ, দ্রুত ফলন ও বাজারে ভালো দামের কারণে ধানসহ অন্যান্য ফসলের বদলে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন শসা চাষ। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও চাহিদা মিটছে। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, ‘এ বছর আমি এক একর জমিতে শসা চাষ করেছি। খরচ তুলনামূলক কম, আর ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। বাজারে ভালো দাম পেলে লাভবান হওয়া সম্ভব।’
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মুজিবনগর উপজেলায় প্রায় ১১০ হেক্টর জমিতে শসা চাষ হয়েছে। গত বছর এই চাষ ছিল ৯০ হেক্টর জমিতে। আধুনিক প্রযুক্তি, সেচ সুবিধা ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার থাকায় ফলন বেড়েছে আগের তুলনায়।
উ-পসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘শসা একটি লাভজনক ফসল। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আমরা সহায়তা করছি। এখন অনেকেই মৌসুমি সবজির পরিবর্তে শসা চাষে ঝুঁকছেন।’ তিনি আরোও বলেন, ‘তবে চাষিদের কিছু সমস্যাও রয়েছে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টি কিংবা অনিয়মিত আবহাওয়ায় গাছ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবে অনেক সময় লাভ কমে যাচ্ছে।’
তবুও কৃষকরা আশাবাদী। তাদের দাবি-সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে শসা কেনার ব্যবস্থা করে, তাহলে এই খাতে আরও উন্নয়ন সম্ভব। সবুজ অর্থনীতির সম্ভাবনাময় এই খাতটিতে নতুন করে প্রাণ ফিরছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক দিকনির্দেশনা ও সরকারি সহায়তা।
