ছবির ক্যাপশন:
দর্শনায় বাড়ির জমির সীমানা ভাগাভাগি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ‘তদন্ত না করে’ মানিক নামে একজনকে গ্রেপ্তার এবং হাবুর নামে মামলা করার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল করেছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে দর্শনা পুরাতন বাজার মোড় থেকে দর্শনা পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দর্শনা থানা গেটে আসে। এরপর বিক্ষোভকারীদের বাইরে রেখে দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, সমন্বয়ক কমিটির সদস্য নাহারুল ইসলাম, মশিউর রহমানসহ বেশ কয়েকজন সমন্বয়ক দর্শনা অফিসার ইনচার্জ শহীদ তিতুমীরের কক্ষে প্রবেশ করেন।
এসময় প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট যৌক্তিক দাবি করে বলেন, পরানপুর গ্রামের কুদরত মণ্ডলের ছেলে হাবুর নামে কেন মামলা হলো? তিনি আরও দাবি করেন, হাবু আমার সঙ্গে ছিল, তার নানাবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধে সে জড়িত ছিল না। তদন্ত না করে কেন তার বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে নাম দেওয়া হলো?
উল্লেখ্য, হাবিবুর রহমান বুলেট ও শরীফ উদ্দিন দুই মাস আগে উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে জমির সীমানা নির্ধারণ করে দেন। এরপরও কেন মনির উদ্দিনের ছেলে মহিদুল ও জাহিদুল বাদী মৃত শহিদুল ইসালমের মেয়ে অ্যাডভোকেট সামিরা তাবাছুম সোনিয়া ও আবুল হোসেনের ছেলে মানিক এবং পরানপুর গ্রামের কুদরত মন্ডলের ছেলে হাবুর নামে কেন মামলা করার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে দর্শনা থানায় আসে বিএনপির নেত্রীবৃন্দ।
ঘটনাটি কেউ কেউ “বিএনপি কর্তৃক দর্শনা থানা ঘেরাও” বলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। এ বিষয়ে দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক বলেন, “আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে বা থানা ঘেরাও করতে আসিনি। আমরা বিগত ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার সরকারের দোসর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আটক ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছি।”
এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বলেন, ওনারা পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেননি। জমি-সংক্রান্ত বিষয়ে উভয় পক্ষই অভিযোগ করেছিল, তবে কেউ জমির সীমানা মানেনি। আমরা মামলা না নিয়ে উভয় পক্ষকে কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। গ্রেপ্তারকৃত মানিক মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
