ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামের মৃত মুনছুরের ছেলে সীমান্তের ‘চোরাকারবারির গডফাদার’ হেলালের বিরুদ্ধে এবার নারীকে শ্লীলতাহানিসহ মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা বেয়াই মহিম প্রতিবাদ করলে তার ঘরবাড়ি ভাঙচুরসহ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাতে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গতকাল শনিবার দর্শনা থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চাকুলিয়া গ্রামের উত্তর পাড়ার ইসমাইলের ছেলে মহিম হোসেনের বাড়িতে গত ৩ জুলাই কুতুবপুর গ্রামের ফেরদৌসের স্ত্রী, মহিমের বেয়ান বিলকিস বেড়াতে আসেন। পরের দিন বেলা ১১টার দিকে তিনি আজিমিলের ছেলে এনামুলের ইজিবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে চাকুলিয়া রাস্তায় হেলালও ইজিবাইকে ওঠে এবং বিলকিসকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। এসময় তিনি তার শ্লীলতাহানি করে এবং কাপড় ছিঁড়ে দেয়। তার গলায় থাকা সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয়।
পরে বিলকিস ঘটনাটি তার বেয়াই মহিমকে বললে, মহিম ও তার স্ত্রী বিষয়টা নিয়ে হেলালকে বললে হেলাল তার ভাই মজে, ফকা, ছেলে মিয়ারুল ও মজের ছেলে আকরাম, সিরাজুলসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জন মিলে তাদের মারধর করেন। পরবর্তীতে গত পরশু শুক্রবার রাত ১১টার দিকে অভিযুক্তরা মহিমের বাড়িতে এসে তাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, নগদ ১ লাখ টাকা ও ৭০ হাজার টাকার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে হেলাল ও তার সহযোগীদের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে ভুক্তভোগী মহিমের পরিবার। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার পেতে মহিম অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার দর্শনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাল বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এই ধরনের কাজ করিনি।’
এ বিষয়ে জানতে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীরের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘চাকুলিয়া মারামারি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
