ছবির ক্যাপশন:
তেলজাতীয় ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করতে চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সম্মেলন ক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দেশে বছরে ২৪ লাখ মেট্রিক টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকলেও নিজস্ব উৎপাদন মাত্র ৪ লাখ টন। আমদানিতে বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। যদি সরিষা, সূর্যমুখী ও তিলের চাষ বাড়ানো যায়, তাহলে অন্তত ৪০ শতাংশ চাহিদা দেশীয়ভাবে পূরণ সম্ভব।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন কৃষি উদ্যোক্তা মুস্তফা আল সাকিব। উপস্থাপনায় ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উদয় রহমান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়। এছাড়াও বক্তব্য দেন বিএডিসির যুগ্ম-পরিচালক শফিকুল ইসলাম, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার নুরুল ইসলাম, তেলজাতীয় ফসল প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার (যশোর) হাসান আলী, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি রাজীব হাসান কচি, সাংবাদিক মানিক আকবর, সময়ের সমীকরণের প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম-আহ্বায়ক সিরাজুম মুনিরা।
বক্তারা বলেন, ‘তেলজাত ফসল উৎপাদনে প্রযুক্তি, মানসম্মত বীজ ও বাজার সহায়তা জরুরি। উন্নত জাত ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে কৃষকরা তেল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে পারে।’ পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষকরা হলেন-১ম: শাহজালাল (বিনোদপুর, আলমডাঙ্গা), ২য়: মোস্তফা সাকিব (কোটালী, সদর), ৩য়: আব্বাস উদ্দিন (করিমপুর, জীবননগর), ছানোয়ার (মাধবপুর, আলমডাঙ্গা), মনিরুল ইসলাম (গোবিন্দহুদা, দামুড়হুদা)।
পুরস্কার গ্রহণের পর কৃষকেরা বলেন, ‘এটি শুধু সম্মান নয়, বরং আমাদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা।’ এছাড়াও অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, চুয়াডাঙ্গায় তেলজাতীয় ফসল উৎপাদনে একটি সম্ভাবনাময় দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
