ঝিনাইদহে চিত্রা নদী দখল করে থাকা ১২টি অবৈধ পুকুর উচ্ছেদ

পাউবো’র তালিকায় চিহ্নিত ৯৪টি স্থাপনা অবৈধ

আপলোড তারিখঃ 2025-07-02 ইং
ঝিনাইদহে চিত্রা নদী দখল করে থাকা ১২টি অবৈধ পুকুর উচ্ছেদ ছবির ক্যাপশন:

দখল ও দূষণ রোধে ঝিনাইদহে চিত্রা নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড দখলদারদের তালিকা তৈরি করে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে। পরিবেশবিদদের মতে, নদীর বুক পুরোপুরি দখলমুক্ত হলে প্রমত্তা চিত্রা আবারো প্রাণ ফিরে পাবে। জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১২টি নদীর মধ্যে চিত্রার দৈর্ঘ্য ১৭১ কিলোমিটার, এর মধ্যে ঝিনাইদহ অংশ ৫৭ কিলোমিটার। সদর উপজেলার সাধুহাটি, দোড়া, কালীগঞ্জ, তত্বিপুর ও মালিয়াট ইউনিয়ন হয়ে যশোরের অভয়নগরে গিয়ে নদীটি মিশেছে। চিত্রার উৎপত্তিস্থল চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে।


সরেজমিনে দেখা যায়, ঝিনাইদহ অংশে নদীর ওপর পুকুর কেটে মাছ চাষসহ গড়ে তোলা হয়েছে বাড়িঘর, দোকান ও বাজার। গান্না, জিয়ানগর, বংকিরা, হাজরা, লক্ষ্মীপুর, মোহাম্মদপুর ও গোবিন্দপুর এলাকায় নদীর বুকে পুকুর রয়েছে। কোটচাঁদপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও চিত্রা দখল হয়ে গেছে।


মানবাধিকার কর্মী অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী। তবে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে আগেও অভিযান থেমে গেছে-এবার যেন তা না হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, ২৩ জুন থেকে শুরু হওয়া অভিযানে চিত্রার ঝিনাইদহ অংশে ৯৪টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভবন, পুকুর, বাজার, দোকান ও মুরগির খামার রয়েছে।


অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এসও মিনহাজুল ইসলাম জানান, কালীগঞ্জ অংশে ৬২টি, কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর বাজারে ১১টি এবং ধোপাবিলা গ্রামে ২১টি স্থাপনা ও পুকুর চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি পুকুর ইতিমধ্যে উচ্ছেদ করা হয়েছে।


সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)