ছবির ক্যাপশন:
‘আত্মগঠনের প্রথম ধাপ হলো রুকনিয়াতের শপথ। দীর্ঘ পথ পরিক্রমার পর একজন কর্মী রুকন হয়, আর এই মান যদি সে আমত্যু ধরে রাখতে পারে-আমি মনে করি, সে ধন্য,’-জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির অ্যাড. রুহুল আমিন গতকাল রোববার বিকেলে চারটায় এক রুকন শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়াডাঙ্গা শহরের বিলাল কিন্ডারগার্টেন স্কুলে অনুষ্ঠিত এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াতের জেলা প্রশিক্ষণ বিভাগ। সভাপতিত্ব করেন প্রশিক্ষণ বিভাগের সভাপতি মো. জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান এবং জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাড. রুহুল আমিন আরও বলেন, ‘একজন রুকন সংগঠন থেকে নেয় না, বরং দিতে শেখে। খেলাফত প্রতিষ্ঠাও তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সহকারী প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, দর্শনা সাংগঠনিক থানার আমির ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা রেজাউল করিম, সদর আমির বিলাল হোসাইন, গাংনী-আসমানখালী থানার আমির আব্বাস উদ্দিন, আলমডাঙ্গা পৌর প্রশিক্ষণ সম্পাদক শফিউদ্দিন, দর্শনা থানার প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাযহারুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক বিলাল হোসাইন, চুয়াডাঙ্গা পৌর প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইকবাল হোসাইন এবং সদর প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা সাজিবুল ইসলাম প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, ১৯৮৬-৮৭ সালে কুষ্টিয়া সাংগঠনিক জেলা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিভক্ত হওয়ার পর এটাই প্রথমবার, যখন একদিনে ১৭২ জন নতুন রুকন শপথ নিয়েছেন-যা জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা জেলার ইতিহাসে একটি রেকর্ড।
