ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের চলাচলের একটি ইটের সড়কে বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন শতাধিক পরিবার, স্কুলগামী শিক্ষার্থী এবং মসজিদের মুসল্লিরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামের মাঝখান দিয়ে যাওয়া এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করতেন। কিন্তু সম্প্রতি মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে আব্দুল গফুর, মৃত হোসেনের ছেলে মিলন, গফুরের ছেলে দবির, আশাদুল চৌকিদারের ছেলে কলিম উদ্দিন ও জুয়েল সড়কটির ওপর বেড়া নির্মাণ করে চলাচল বন্ধ করে দেন।
গতকাল বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটি এখন পুরোপুরি বন্ধ। ফলে মানুষকে ঘুরে অন্যের বাড়ির পাশ দিয়ে বা মাঠের কাদা-মাটি পার হয়ে যেতে হচ্ছে, যা সময়সাপেক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে স্থানীয় আবু বক্কর বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে আমরা অনেক বছর ধরে চলাচল করছি। হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা বিপদে পড়েছি। এমনকি প্রতিবাদ করতে গেলেও আমরা ভয় পাই।’ আরেকজন বাসিন্দা জিয়া জানান, ‘বিষয়টি জানার পর আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত একটা সমাধান হবে।’
অভিযুক্ত আব্দুল গফুর বলেন, ‘এই রাস্তা আমার জমির ওপর দিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে এখানে ট্রাক, ট্রলি চলে এসে আমার দোকানের ক্ষতি করে। প্রতিবাদ করলে লোকজন গালিগালাজ করে। তাই আমি বাধ্য হয়ে বেড়া দিয়েছি। কেউ এসে বেড়া সরাতে বলেনি।’ তবে এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ করে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া অমানবিক এবং বেআইনি।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, ‘অভিযোগ পেলে আমি নিজে গিয়ে দেখব বা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে পাঠাব। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
