ছবির ক্যাপশন:
‘দেশি ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই’-এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ফল মেলা। জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বরে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। উদ্বোধনের আগে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের কবরী রোড প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে ফিরে আসে। পরে অতিথিরা ফলের স্টল পরিদর্শন করেন এবং চুয়াডাঙ্গায় উৎপাদিত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ফলের বৈচিত্র্য উপভোগ করেন।
মেলায় অংশ নিয়েছে ৬টি স্টল, যেখানে স্থান পেয়েছে দেশি প্রজাতির বহু দুর্লভ ফল। দর্শনার্থীরা এসব ফলের স্বাদ ও গুণাগুণ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। আয়োজকরা জানান, এই মেলার মাধ্যমে অনেকেই এমন ফল চিনতে পারছেন, যা আগে কখনও দেখেননি বা নামও শোনেননি।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন চুয়াডাঙ্গার উৎপাদিত নানান জাতের ফলের সমাহার নিয়ে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। প্রত্যেকটা ফলই চুয়াডাঙ্গার মাটিতে উৎপন্ন হয়েছে। মেলায় আসবেন, চুয়াডাঙ্গার ফল সম্পর্কে আপনাদের ধারণা হবে। মেলার মাধ্যমে দেশবাসী চুয়াডাঙ্গার ফল সম্পর্কেও জানতে পারবে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) দেবাশীষ কুমার দাস, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিন বিনতে আজিজ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক কামরুজ্জামান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার আহ্বায়ক আসলাম হোসেন অর্ক প্রমুখ।
মেলায় আগত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত চলবে এই মেলা। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলার গেট।
