ছবির ক্যাপশন:
মামলা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার কথা বলে এক যুবকের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কৃষকদলের এক নেতাসহ দুজনের বিরুদ্ধে। ওই দুজন হলেন গড়াইটুপি ইউনিয়ন কৃষকদলের আহ্বায়ক ওসমান গণি ও পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের শশী হালদার।
জানা গেছে, গত কয়েকদিন আগে মোহাম্মদপুর গ্রামের একজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মেয়ে ও একজন মুসলিম ছেলে প্রেমের টানে অজানা উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। এর সূত্র ধরে মেয়েপক্ষ সন্দেহজনকভাবে কয়েকজনের নামে ঝিনাইদহ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা তেমন না দেখা গেলেও স্থানীয় কিছু নেতাদের ভূমিকা বেশ চোখে পড়ার মত ছিল।
স্থানীয়রা জানায়, ঘটনা ঘটার পর তেঘরী গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়। এর পর থেকে একই গ্রামে কৃষকদল নেতা ওসমান গণি ও শশী হালদারের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে শাকিলের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলে শাকিলের বাবা চাঁন মিয়া।
চাঁন মিয়া বলেন, বিষয়টি আশেপাশে লোকজন জানার সাথে সাথে তারা পলায়ন করে চলে যায়। আমি সহজ সরল মানুষ। প্রেমের টানে তারা কোথায় গেছে সেটা আমার ছেলে বা আমরা কিছুই জানি না। দলীয় প্রভাব দেখিয়ে তারা নানা ধরনের হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করছে।
এ বিষয়ে গড়াইটুপি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহব্বত আলী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। অতিদ্রুত চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জোর দাবি করবো।
এ বিষয়ে ওসমান গণি বলেন, আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল সমস্যা সমাধানের জন্য। তবে আমি টাকা-পয়সার দাবি করিনি। তবে শশী হালদার টাকার দাবি করেছে।
এ বিষয়ে শশী হালদারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে তিতুদহ পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আটক করার মত কাউকে পায়নি।
