ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত প্রতিদিনের নতুন খবর’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৫) আর নেই। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আসাদুজ্জামান আসাদ জীবননগর উপজেলার শিংনগর গ্রামের ওয়াছেদ মণ্ডলের ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, মা, দুই কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মোহাম্মদপুরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। এক মাস আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন হাসপাতালে তার ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়। এরপর থেকে তিনি মোহাম্মদপুরের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাসা থেকে হাঁটতে বের হন আসাদুজ্জামান। এসময় হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে দ্রুত তাকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিকেল পাঁচটার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে লাশ নিয়ে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশ্যে রওনা দেন স্বজনরা। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর তার দাফন সম্পন্ন হবে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার নিজ গ্রাম শিংনগরে। আসাদুজ্জামান আসাদ ছিলেন একজন নির্লোভ, নিরহংকারী এবং জনমানুষের সংবাদে বিশ্বাসী সাংবাদিক। ‘প্রতিদিনের নতুন খবর’ পত্রিকার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নানা সমস্যা, সম্ভাবনা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সাংবাদিক মহল, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে শোক বার্তা পাঠানো হয়েছে।
